আন্তর্জাতিক সংবাদশিরোনাম

কেমন হবে বাইডেনের এশিয়া নীতি, নানা আলোচনা

মার্কিন মসনদে বসতে চলেছেন জো বাইডেন। আমেরিকায় সর্বত্র তাই সাজ সাজ রব। রয়েছে নিরাপত্তার কড়া বেড়াজালও। তবে এরই মধ্যে রয়েছে রাজনীতির ছায়া। নিকেই এশিয়ার একটি খবর অনুসারে, বাইডেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ গ্রহণের পর এশিয়ার বিভিন্ন দেশগুলির সঙ্গে আমেরিকার কি সম্পর্ক হবে তা নিয়ে চিন্তায় সকলেই। যদিও বাইডেন নিরাপত্তা এবং অগ্রগতিকে সামনেই রেখেই তার কাজ চালাবেন। তাই এশিয় দেশগুলির সঙ্গে তার সম্পর্ক খারাপ হওয়ার কথা নয়। জাপান, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ভারতের সঙ্গে বাইডেন আগামীদিনে কোন পথ অবলম্বন করবেন তা এখন প্রধান আলোচনার বিষয়।
তবে ক্যাপিটলে অশান্তির পর ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর বেজায় চটেছেন বাইডেন। তাই তিনি তার বিরুদ্ধ পথে হাটার সিদ্ধান্ত নেবেন সেকথা বলাই যায়। তবে এশিয় দেশগুলির সঙ্গে বাইডেনের সম্পর্ক তাতে বিশেষ ফারাক হবে না। ২০১৭ এবং ২০১৮ সালে ট্রাম্প এশিয় দেশগুলির সঙ্গে যে চুক্তিগুলি করেছিল তাকে এগিয়ে নিয়ে যেতেই চায় বাইডেন প্রশাসন। তবে কয়েকটি ক্ষেত্রে ট্রাম্পের নীতিগুলি এক্ষেত্রে পরিবর্তন করতে পারেন জো বাইডেন। মনে করা হচ্ছে বাইডেনের বিদেশনীতি আমেরিকার পক্ষে অনেক বেশি লাভজনক হবে। সেদিক থেকে দেখতে হলে ট্রাম্পের বেশ কয়েকটি কাজকে বাতিলের খাতায় ফেলে দিতে পারেন তিনি। ট্রাম্প প্রশাসনের এক কর্তার মতে, আমেরিকার কাছে এশিয়ার সবথেকে বড় মাথাব্যাথা চীন। বিগত চার বছরের চীনের উত্থান তাদের বেশ খানিকটা চাপে রেখেছে। চীনের সঙ্গে আমেরিকা কি ধরনের সম্পর্ক রাখে তার দিকে তাকিয়ে থাকবে গোটা বিশ্ব। চীন বর্তমানে এশিয়াতে অন্য তম শক্তিধর একটি দেশ। করোনার জেরে কাবু হলেও চীন যে কাউকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে বলেই মনে করছে আমেরিকা। তাই প্রথম থেকেই চীনকে হাল্কাভাবে নেওয়ার পক্ষপাতী নয় তারা। ট্রাম্প যেমনভাবে চীনের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছিলেন তেমনি বাইডেনও একই পথে হাটবেন বলেই মনে করছেন সকলে। সেখানে চীনের বন্ধু দেশগুলির সঙ্গে নিজের সম্পর্ক ছিন্ন করতে পারে আমেরিকা। চীনের সঙ্গে তাল রেখে আমেরিকা তাদের সামরিক শক্তি আরও বৃদ্ধি করার দিকে জোর দেবে এটাই স্বাভাবিক। তবে এখানে রোমানিয়া, বাংলাদেশের মত দেশগুলির ভূমিকা হয়ে উঠতে পারে গুরুত্বপূর্ণ। পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কের কথা সকলেই জানে। কিম জং উন যে আমেরিকার বিরুদ্ধে সদাই প্রস্তুত তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই ট্রাম্পের সঙ্গে তার মোলাকাতের পরও এই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা খুব একটা কম নয়। বাইডেন প্রশাসনও দক্ষিণ কোরিয়াকে বেশি বাড়তে দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে। সবমিলিয়ে বাইডেন প্রশাসন এবার কোন পথে হাটে সেটাই দেখার।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button