
মোহাম্মদ আলী, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: ঋতুরাজ বসন্তের শুরুতেই পদ্মারপাড় সংলগ্ন তীরবর্তী এলাকার বিস্তৃত ফসলি মাঠের পাশে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা অসংখ্য সূর্যমুখী ফুলের হলুদের সমারোহ যে কারো নজর কাড়বে।
কম খরচে অধিক লাভে সূর্যমুখী চাষে কৃষকরা যেমন লাভবান হবে তেমনি গ্রামীন অর্থনীতিতে ও গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা রাখতে পারে।
ষঢ়ঋতুর দেশ আমাদের বাংলাদেশ। ঋতু চক্রের আবর্তে এখন বসন্ত কাল।
প্রকৃতি নতুন রূপে সাজে ফুটে ওঠে নানা রঙের ফুল । কোকিলের কুহুতান আর মৃদু সমীরনে ভেসে আসে ফুলের সৌরভ। আধো আধো শীত গরমে আলো-ছায়ার খেলায় চারিদিক ভরে উঠে ফুলর পাপড়িতে। প্রকৃতির এই রঙিন পরিবর্তনে পদ্মারপাড় সংলগ্ন তীরবর্তী এলাকা উঠেছে নব যৌবনে।
সূর্যমুখী মূলত একটি তেলবীজ উৎপাদন কারী ফসল। যা উচ্চমানের ভোজ্য তেল পাখির খাদ্য ও শোভা বর্ধনের জন্য চাষ করা হয়। এটি উজ্জ্বল হলুদ বর্ণের বড় একবর্ষী ফুলগাছ । কচি সূর্যমুখী গাছ সূর্যকে অনুসরণ করে পূর্ব থেকে পশ্চিমে ঘোরে এবং রাতে আবার পূর্ব দিকে মুখ করে অবস্থান করে। এটি একক ফুল নয়, বরং একটি পুষ্পমঞ্জরী, যেখানে ১০০০০ হাজার-এর বেশি ছোট ছোট ফুল একসাথে একটি বড় মাথা তৈরি করে । সমতলের সাথে পাল্লা দিয়ে পাহাড়ের কৃষি অর্থনীতিতে সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে সূর্যমুখি ফুল।
আইলকুন্ডি এলাকার কৃষক মোঃ শামীম জানান, এবছর আমি ৪০ শতাংশে সূর্যমূখী ফুল চাষ করেছি এবং কৃষি অফিসের সহয়তা ও নির্দেনা মোতাবেক প্রথম ৪০ শতক জমিতে সূর্যমুখি চাষ করেছেন। ৪বার সেচ দেয়া হয়েছে। এতে মোট খরচ হয়েছে ৬ হাজার টাকা। ফলন ভালো হয়েছে। সব ঠিক থাকলে ১০ মনের মত ফলন পাওয়ার আশা করেম তিনি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ তৌহিদুজ্জামান খান জানান,পদ্মারপাড় সংলগ্ন তীরবর্তী এলাকার আবহাওয়া ও জলবায়ু অনুকুলে হওয়াতে সূর্যমুখি চাষে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এলক্ষে জেলার কৃষকদের বীজ সহায়তা ও প্রনোদনা সহ বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করা হচ্ছে এবং কৃষকরাও চাষে আগ্রহী হচ্ছে। এতে এক দিকে ভোজ্য তেলের চাহিদা পূরণ হবে এবং অন্য দিকে গ্রামীন অর্থনীতিতে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।




