ঘটনার ভিডিও পাওয়া যায় এলাকার একটি সিসিটিভি ক্যামেরায়। এতে দেখা যায়, রাতের বেলা ব্যস্ত এক সড়কের ঠিখ মধ্যখানে দাঁড়িয়ে রয়েছেন ওই যুবক। আর তাকে রাস্তার ধারে সরিয়ে নিতে প্রাণপণ চেষ্টা করছেন এক নারী।
নারী অবশ্য প্রেমের পরীক্ষায় পাস করেছেন। তবে অনেকে বলছেন, পাস করলেও রেজাল্ট খুব ভালো নয়। কারণ স্বামীকে প্রাণে বাঁচালেও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে পারেননি।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, স্ত্রীর কাছে প্রেমের প্রমাণ দিতে ও নিতে নানা অভিনব উপায় বের করত ওই যুবক। স্বামীর মাতলামিতে বিরক্ত হলেও মের টানেই তাকে ছেড়ে যেতে পারেননি ওই নারী। তাই বারবার নানাভাবে স্বামীর প্রতি নিজের ভালবাসার প্রমাণ দিয়ে গিয়েছেন।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে স্ত্রীর নাম বলঅ হয়েছে ঝাউ। স্বামীর নাম প্যান। স্ত্রীর এবারের পরীক্ষা ছিল বেশ কঠিন। কারণ রাতের ব্যস্ত রাস্তায় প্রচণ্ড গতিতে গাড়ি চলছে। অন্ধকারে দাঁড়িয়ে থাকা দম্পতিকে চালকের সহজে চোখে পড়ার কথা নয়। ফলে দু’জনেরই প্রাণের ঝুঁকি ছিল। তবু মদ্যপ স্বামীকে ছেড়ে যাননি স্ত্রী। দু’জনের ধস্তাধস্তির মধ্যেই একটি দ্রুতগামী গাড়ি ধাক্কা মারে যুবককে। ছিটকে দূরে পড়েন তিনি। পথের ধারে রেলিংয়ে ছিটকে পড়েন স্ত্রীও।
ভিডিওতে এর পরের দৃশ্যে দেখা যায়, স্বামীকে উদ্ধার করতে ঝাউয়ের ছোটাছুটি। পরে একটি গাড়ি থামিয়ে আহত স্বামীকে তুলে হাসপাতালের নিয়ে যান।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, যুবকের মাথায় ও বুকের হাড় ভেঙ্গে গেছে। সুস্থ হতে বেশ সময় লাগবে।
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশকে চিকিৎসাধীন প্যান বলেছেন, স্ত্রীর ভালবাসা পরীক্ষা নিতে চেয়েছিরেন তিনি। প্রকৃত ভালবাসলে স্ত্রী তাকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনবে বলে তার বিশ্বাস ছিল।




