
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায় ১৭ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে বন্ধ থাকবে দেশের সকল কোচিং সেন্টারও। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের সময়ে শিক্ষার্থীদের বাড়িতেই থাকার নির্দেশনাও এসেছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে, অভিভাবকেরা নিশ্চিত করবে যে তাদের ছেলেমেয়েরা একা বাইরে ঘুরে না বেড়ায়। তাদেরকে ছুটি দেওয়াই হচ্ছে সেফটির জন্য। বাইরে ঘোরাফেরা করলে তদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একা একা যেন বাইরে না যায়, অভিভাবকদের সঙ্গে যেতে পারে।
শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি দুপুরে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, যদিও সংক্রমণের ঘটনা অত্যন্ত কম, তবুও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের সব পর্যায়ে, সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে, মন্ত্রিসভায় এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সব কোচিং সেন্টারও এই সময় বন্ধ রাখা হবে বলে জানান তিনি।
দীপু মনি বলেন, অভিভাবকরা উদ্বেগ জানিয়েছিলেন, শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের কেউ কেউ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।
শিক্ষার্থীদের বাড়িতে থাকার নির্দেশনার বিষয়টি নিয়ে তিনি বলেন, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ জানাবো, (স্কুল ছুটির সময়) শিক্ষার্থীদের অবশ্যই বাড়িতে থাকা নিশ্চিত করতে হবে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ তার মানে এই নয় সর্বত্র তারা ঘুরে বেড়াবে, বেড়াতে যাবে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে যাতে সংক্রমণ না হয়। কাজেই সেটি মাথায় রেখে অভিভাবকরা যেন নিশ্চিত করেন শিক্ষার্থীরা যার যারা বাড়িতে থাকবে এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার যে নির্দেশ রয়েছে তা প্রতিপালন করি।




