সিলেটকে বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে আশা বাঁচিয়ে রাখল রংপুর
হারলেই চলে যেতে হতো বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে। উভয় দলের সামনেই ছিল এমন হিসাব। গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠা ম্যাচটিতে শ্রেষ্ঠত্ব রংপুর র্যাঞ্জার্সের। সিলেট থান্ডারকে বিদায়ের একেবারে কাছে ঠেলে বঙ্গবন্ধু বিপিএলে শেষ চারের আশা বাঁচিয়ে রেখেছে দলটি।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সোমবার দিনের প্রথম ম্যাচে সিলেটকে ৭ উইকেটে হারায় রংপুর। ষোলো বল বাকি থাকতেই মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য ১৩৪ রানের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় শেন ওয়াটসনের দল।
সাত ম্যাচে দুই জয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠস্থানে আছে রংপুর। আট ম্যাচ খেলে মাত্র ২ পয়েন্ট নিয়ে সাত দলের মধ্যে একেবারে তলানিতে সিলেট।
রংপুরের শুরুটা অবশ্য ভালো ছিল না। দলীয় পাঁচ রানেই উইকেট ছাড়া হন ওপেনার ও অধিনায়ক ওয়াটসন। কিন্তু দ্বিতীয় উইকেট জুটিতেই শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে তোলে তার দল। ৯৯ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের একেবারে কাছে নিয়ে যান মোহাম্মদ নাঈম ও ক্যামেরুন ডেলপোর্ট।
দলীয় ১০৪ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় রংপুর। আফগান পেসার নাভিন-উল-হকের বলে নাঈম হাসানকে ক্যাচ দেন ক্যামেরুন ডেলপোর্ট। এর আগে ২৮ বলে ছয় চার ও পাঁচ ছক্কায় ৬৩ রান করেন দক্ষিণ আফ্রিকান এই পেসার।
তৃতীয় উইকেট জুটিতে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন নাঈম ও মোহাম্মদ নবি জুটি। ৫০ বলে দুই চার ও দুই ছক্কায় ৩৮ রান করে অপরাজিত থাকেন নাঈম। ১২ বলে দুই চার ও এক ছক্কায় ১৮ রান করে অপরাজিত থাকেন নবি।
সিলেটের বোলারদের মধ্যে নাভিন-উল-হক ১৩ রানে ২ উইকেট নেন। অপর উইকেটটি এবাদত হোসেনের।
এর আগে নির্ধারিত কুড়ি ওভারে ৯ উইকেটে ১৩৩ রান করেন সিলেট থান্ডার। ৪৭ বলে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬২ রান করেন মোহাম্মদ মিঠুন। অন্যদের মধ্যে রাদারফোর্ড ১৬ ও অধিনায়ক মোসাদ্দেক ১৫ রান করেন।
অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছে রংপুরের পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। চার ওভার বোলিং করে মাত্র ১০ রানে ৩টি উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতেছেন তিনি। এর আগের ম্যাচেও খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে ৩ উইকেট পেয়েছিলেন এই কাটার মাস্টার।
একটি করে উইকেট নিয়েছেন আরাফাত সানি, মুকিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ নবি ও লু্ইস গ্রেগরি।




