
এ যেন একেবারে কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরনোর মতো অবস্থা। সম্প্রতি ভারতের বিহার রাজ্যের বোর্ড পরীক্ষায় অযোগ্য ছাত্রছাত্রীদের মেধা তালিকায় প্রথম স্থানাধিকার নিয়ে ভারতজুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। সেই ঘটনার পরই বিহারের শিক্ষাব্যবস্থার কঙ্কাল ফের একবার সামনে বেরিয়ে পড়ল।
ভীমরাও আম্বেদকর বিহার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন পূর্ব চম্পারন জেলার মতিহারি এলএনডি কলেজে কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশনের ৩০ জন ছাত্রছাত্রীকে পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দেয়া হয়েছে। যদিও তারা পরীক্ষায় বসে উত্রপত্রে একটি আঁচড়ও কাটেনি। জানা গেছে, এই ছাত্রছাত্রীরা ২০১৩-২০১৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য কলেজে ভর্তি হয়েছিল। পরীক্ষা না দিলেও সবাইকে পাশ করিয়ে দেয়া হয়েছে। এমনকী ফলাফল বেরিয়ে শংসাপত্রও পেয়ে গেছেন সকলে।
বহুদিন ধরেই এমন নানা অভিযোগ আসছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে। তার উপরে বোর্ড পরীক্ষার কেলেঙ্কারি সামনে আসার পর তৎপরতা দেখানো হয়। কিছু ছাত্র পরীক্ষার নম্বরে সন্তুষ্ট না হওয়ায় স্ক্রুটিনির আবেদন জানানোর পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
ঘটনাটি জানতে পেরেই পরীক্ষার খাতা দেখা শিক্ষকদের সমন পাঠানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্য়ালয়ের কন্ট্রোলার সতীশ কুমার রাই জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। এই প্রথম নয়, এর আগেও ভীমরাও আম্বেদকর বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন ঘটনা ঘটেছে। গত বছর হোমিওপ্যাথির ফাইনাল বর্ষের ৪০টি খাতায় কোনো লেখা না থাকলেও তাদের পাশ করিয়ে দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।




