
নীলফামারী প্রতিনিধি: ২০২৪ এর ৪ আগস্ট নীলফামারীতে সংঘটিত সহিংস ঘটনায় আহত হন কলম সৈনিক ও জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা রায়হান আলী। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে নিয়ে যাওয়া হয়। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে এদিকে তার পরিবারের আর্থিক ও মানবিক অবস্থা ক্রমেই সংকটজনক হয়ে উঠেছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, আন্দোলনের সময় গুরুতর আহত হওয়ার পর রায়হান আলীর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। দেশীয় চিকিৎসায় অবস্থার তেমন উন্নতি না হওয়ায় তাকে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন থাকলেও চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে পরিবারটি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে।
রায়হান আলীর পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা ব্যয়, থাকা-খাওয়া ও অন্যান্য খরচ বহন করতে গিয়ে তাদের সঞ্চয় প্রায় শেষ হয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর মতো তেমন কেউ নেই বললেই চলে। স্থানীয় পর্যায়ে সহানুভূতি থাকলেও বাস্তব সহায়তা খুবই সীমিত বলে তারা অভিযোগ করেছেন।
পরিবারের অভিযোগ, নীলফামারী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত তেমন কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি। একজন আন্দোলনের আহত যোদ্ধা হিসেবে রায়হান আলীর চিকিৎসা ও পরিবারের সহায়তায় প্রশাসনের ভূমিকা থাকা উচিত ছিল বলে তারা মনে করছেন।
এ অবস্থায় রায়হান আলীর পরিবারের পক্ষ থেকে দেশের বিত্তবান ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন ও প্রশাসনের কাছে জরুরি সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে। তারা আশা করছেন, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সবাই এগিয়ে এলে রায়হান আলীর চিকিৎসা অব্যাহত রাখা এবং পরিবারের দুর্দশা কিছুটা হলেও লাঘব করা সম্ভব হবে।
স্থানীয় সচেতন মহলও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।




