
মোহাম্মদ আলী, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: শতশত মানুষের যাতায়েত এর রাস্তার বেহাল অবস্থা, নেই কোন কার্যকরী পদক্ষেপ, দুর্ভোগে পড়ছে স্থানীয় বাসিন্দা এবং ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, পূর্বখলিলপুর মজিদ বাবুর্চি বাড়ি হতে উসমান মাত্ববর এর বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৮০০ মিটার সরকারি হালুটের রাস্তা বিগত দুই যুগ ধরেও হয়নি সংস্কারের কাজ, এতে প্রায় প্রতিনিয়ত শতশত মানুষের চলাচল সহ অত্র এলাকার পূর্বখলিলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতের নানা বিঘ্ন ঘটে।
এ বিষয়ে পূর্বখলিলপুর গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মো:বাদশা খান সাংবাদিকদের জানায়, আমার এলাকা সহ পশ্চিম খলিলপুর ও সট্টির আংশিক খুবই অবহেলিত ও চরম দূর্ভোগ প্রহাতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত।
আমার বাড়িসহ আশেপাশের ২০ টি বসতবাড়ির মানুষের বর্ষায় নৌকায় একমাত্র যাতায়াতের বাহন এছাড়াও অত্র এলাকার স্কুলগামী শিশু শিক্ষার্থীরা কাদাভর্তি রাস্তা দিয়ে খুব কষ্টে চলাচল করে,বিগত ২০ বছরেরও হয়নি কোন কার্যকরী পদক্ষেপ।
আমি ও এলাকাবাসির পক্ষ হতে মানিকগঞ্জ–২ আসনের সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খান শান্ত সহ উর্ধতন কর্তপক্ষের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, অতিদ্রুত আমাদের রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু করে অত্র এলাকার দূর্ভোগ নিরাসন করার জন্য জোরদার দাবি জানাচ্ছি।
রাস্তার বিষয়টা নিয়ে পূর্বখলিলপুর গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা ও মেধাবী শিক্ষার্থী মো: তুষার খান আরো জানান,বৃষ্টি এলে এখানকার মানুষদের রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে খুবই কষ্ট হয়,আমি একজন শিক্ষার্থী হয়ে জোরদার দাবি জানাচ্ছি, বিষয়টি ওপর মহলে খতিয়ে দেখে, অতিদ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হোক।
খলিলপুর ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মীর শওকত হোসেন জানান,ক্ষমতার রদবদল হলেও আজও পর্যন্ত এই রাস্তার ব্যাপারে কার্যকর কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। আমরা ওপর মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এ বিষয়য়ে চালা ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান আবদুল গফ্ফার আরো জানান, বিষটি আমাদের অত্র এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা কয়েকবার অবগত করেছে, বিষয়টির জন্য আমি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি এবং অতিদ্রুত দূর্ভোগ নিরসনের জন্য চেষ্টা করছি।




