Uncategorized

শেরপুরে বিদ্যুৎ লাইন সঞ্চালনের নামে গাছ কেটে সাবাড়

আব্দুস সালাম শাহীন শেরপুর (বগুড়া): বগুড়ার শেরপুরে পল্লী বিদ্যুৎ লাইন সঞ্চালনের নামে সব নিয়মনীতি উপেক্ষা করে উপজেলার বিভিন্ন সড়কের গাছ কেটে সাবাড় করার অভিযোগ উঠেছে। একদিকে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচীতে গাছ লাগাতে বলছেন অন্যদিকে বিদ্যুৎ লাইন সঞ্চালন নামে শত শত গাছের গোড়াঘেষে ও মাথা কেটে বনবিভাগকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।
খোজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সঞ্চালনা লাইন নির্মাণে এক মাসে প্রায় ২০-৩০টি মূল্যবান ইউক্যালিপটাস ও শিশু গাছ কেটে ফেলা হয়েছে এবং ৫০-৬০ গাছের মাথা কেটে দেওয়া হয়েছে। মির্জাপুর থেকে রানির হাট, ভবানীপুর
থেকে চান্দাইকোনা, ভবানীপুর থেকে রানীরহাট, শেরুয়া থেকে ব্রাক বটতলা রোড, নাইশিমুল, চৌমুহনী এলাকার রাস্তার সরকারি গাছের গোড়া কেটে ও ব্র্রাক বটতলা থেকে জামাইল রোডে বিদ্যুৎ লাইনের তার থেকে অনেক দুরে রাস্তার গাছ তবুও গাছের মাথা কেটে সাবাড় করা হয়েছে। বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণের ক্ষেত্রে গাছের ডালপালা ছাঁটা ও প্রয়োজনে গাছের আগা কাটার নিয়ম থাকলেও সে নিয়ম না মেনে গাছের গোড়া কেটে ফেলছে। এলাকা ঘুরে আরোও দেখা গেছে, খোট্টাপাড়া সড়ক, সাবেক সাউদিয়া সড়ক, মির্জাপুর থেকে দড়িমুকন্দ সড়কসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সঞ্চালনের নামে গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। এই গাছগুলো দিনের পর দিন রাস্তায় পড়ে থাকে নষ্ট হচ্ছে আবার অনেক গাছ উধাও হয়ে যাচ্ছে এর ফলে সরকার বড় রাজস্ব
থেকে বঞ্চিত হচ্ছে অন্যদিকে বনবিভাগ ধ্বংস হচ্ছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক লাইনম্যান ও গ্রামবাসিরা বলেন, বিদ্যুৎ লাইনের একটু সমস্যা দেখা দিলে গাছের গোড়া ঘেষে কেটে ফেলা হয়। একদিন এভাবেই সকল গাছ শেষ হয়ে যাবে। আর ব্রাক বটতলা ও জামাইল রোডের ছোট ছোট গাছগুলো এখন থেকেই টার্গেট করে রাখা হয়েছে। সেই টার্গেট পুরন করতেই গাছগুলো কাটা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে বন বিভাগের কর্মকর্তা আব্দুর রহিম বলেন, বিদ্যুতের লাইন সঞ্চালনের নামে গাছগুলো কেটে নিধর করেছে পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগ। গাছের গোড়া কাটার নিয়ম নেই। তবে কর্তন করা গাছগুলো কিছু অফিসে নিয়ে আসা হয়েছে কিছু আছে সেগুলোও নিয়ে আসা হবে। আমরা বিদ্যুৎ বিভাগকে বারবার অবগত করার পরেও তারা গাছগুলো কাটছে কেন জানিনা।
পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক ফকরুল আলমকে মোবাইলে কল করলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।
উপজলো নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী সেখ বলেন, বিদ্যুতের লাইন সঞ্চালনের নামে গাছের ডালপালা ছাঁটা এবং বিপজ্জনক স্থান ছাড়া গাছের গোড়া কাটা যাবে না। বিপজ্জনক ছাড়া যদি কেউ গাছের গোড়া সহ কেটে থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আনইগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button