শহীদনগর এম.এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের উন্নয়নে নব-নির্বাচিত সভাপতির গণমূখী নানা উদ্যোগ

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) সংবাদদাতা : কুমিল্লা’র দাউদকান্দি উপজেলার শহীদনগর এম.এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং সার্বিক উন্নয়নে ম্যানেজিং কমিটির নবনির্বাচিত সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মান্নানের নানা গণমূখী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী, অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীগণ এবং শিক্ষার্থীরা। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত শহীদনগর এম.এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে তরুণ সমাজসেবী,ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মান্নান (২০২২-২৩) দুই বছরের জন্য সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন। আবদুল মান্নান তাঁর নির্বাচনী ইশতেহারে বলেছিলেন,শিক্ষার মান ও পরিবেশের উন্নয়ন,শৃঙ্খলাবোধ তথা বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নকল্পে তিনি আগামী দুই বছর নিরলসভাবে কাজ করবেন। শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে নতুন ছাত্র-ছাত্রীর ভর্তির সিংহভাগ টাকা পরিশোধ করবেন। বিদ্যালয় সূত্র জানায়, নতুন ছাত্র-ছাত্রীগণ মাত্র ৫০০/-টাকা জমা দিয়েই ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ পাচ্ছে। ভর্তির বাকী টাকা বিদ্যালয় তহবিলে জমা দিচ্ছেন- ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মান্নান। সভাপতির এই বদান্যতায় শহীদনগর এম.এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ে আশাতীতভাবে ছাত্র-ছাত্রীর ভর্তির সংখ্যা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এইদিকে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মান্নান শহীদনগর এম.এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের একতলা একাডেমিক ভবনকে সম্প্রসারণ করে ৪তলায় উন্নীত করার জন্য শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরে প্রাণপন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আবদুল মান্নান বলেন, আমি মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয় এর ডিও লেটার নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আশা করি খুব দ্রুতই ৪তলা একাডেমিক ভবন নির্মাণ সম্ভব হবে। এই বিদ্যালয়ে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপনের জন্য ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের পাশে, মনোরম পরিবেশে স্থাপিত শহীদনগর এম.এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের অবস্থানগত গুরুত্ব তুলে ধরে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে লিখিত আবেদন করেছি। আমি আশাবাদী- আমাদের এই বিদ্যালয়ে পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপিত হবে। আবদুল মান্নান কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন,এই বিদ্যালয়ের উন্নয়নে কাজ করতে গিয়ে সম্মানিত অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী ও এলাকাবাসীর দারুণ সহযোগিতা পাচ্ছি। নির্বাচিত হয়ে স্বল্প সময়ের মধ্যে শহীদনগর এম.এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজে সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মান্নানের নানা গণমূখী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন- অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী ও এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ । উল্লেখ্য তিনি যেখানে পদার্পণ করেন সেখানেই সফলতা বয়ে আনে। ভবিষ্যতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হওয়াটাও বিচিত্র নয় বলে পূর্বা বাস দিচ্ছেন অভিজ্ঞ মহল।




