হাসপাতালের মর্গে এক যুবকের লাশের ময়নাতদন্তের সময় পেটে ১১ প্যাকেট ইয়াবা পাওয়া গেছে। শনিবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. সোহেল মাহমুদ এ তথ্য জানিয়েছেন।
শুক্রবার সন্ধ্যায় যুবকটির লাশ মতিঝিল থানার পুলিশ হাসপাতালে পাঠায়।
পুলিশ জানিয়েছে, মারা যাওয়া ব্যক্তির নাম জুলহাস। আনুমানিক বয়স ৩৫ বছর। বাড়ি নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে। বাবার নাম আখতার।
সোহেল মাহমুদ বলেন, মতিঝিল থেকে আসা একটি মৃতদেহ শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের সময় তার পেটে ইয়াবা ট্যাবলেটের ১১টি প্যাকেট পাওয়া গেছে। যার প্রত্যেকটিতে আনুমানিক ২০-২৫ পিস করে ইয়াবা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানাকে (মতিঝিল থানা) বিষয়টি জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক বলেন, শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে মতিঝিলের বিশ্বাস টাওয়ারের সামনে একজন ব্যক্তি অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিল। এ সময় লোকজন তার মাথায় পানি ঢালছিল। সেখান থেকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল বেলা ১১টার দিকে সে মারা যায়। ময়নাতদন্তের জন্য সন্ধ্যায় লাশ ঢামেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, তাঁরা সন্দেহ করছেন, জুলহাস মাদক ব্যবসায়ী ছিলেন। পাচারের উদ্দেশে হয়তো তিনি এসব ইয়াবা বড়ি পেটে বহন করছিলেন।
জুলহাসের ছোট ভাই মেহেদি হাসান জানিয়েছেন, তাঁর ভাই ২১ এপ্রিল কাজের কথা বলে এলাকা থেকে ঢাকার মিরপুরে আসেন। পরে তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ ছিল না।




