sliderস্থানিয়

রাজশাহীতে ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করলো পিবিআই

মোঃ আলাউদ্দীন মন্ডল, রাজশাহী: রাজশাহীতে দীর্ঘ ৩ বছর ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করলো পিবিআই। এঘটনায় হত্যাকারীকে গ্রেপ্তারের পর রিমান্ড শেষে ১৭ মে রাতে প্রেস রিলিজ এর মাধ্যমে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তারা।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২১ সালের জুলাই মাসের ১৪ তারিখে পুঠিয়া থানায় অজ্ঞাত আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়। পরে মামলার আসামি গ্রেপ্তার ও হত্যা কান্ডের রহস্য উদঘাটনের জন্য  বিজ্ঞ আদালত  পিবিআই রাজশাহীকে  কে দায়িত্ব ভার প্রদান করেন। তারই প্রেক্ষিতে পিবিআই প্রধান অ্যাডিশনাল আইজিপি (চলতি দায়িত্বে) মোস্তফা কামাল এর সার্বিক নির্দেশনায়, রাজশাহীর পিবিআই এর পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) মনিরুল ইসলাম এর নির্দেশে উপ-পুলিশ পরিদর্শক(নি:) মতিউর রহমান এর নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে রাজশাহী জেলার পুঠিয়া থানাধীন বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে চলতি বছরের ১৩ মে দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে মোল্লাপাড়া গ্রামে বেলালের মদিনা ইটভাটা হতে তদন্তে প্রাপ্ত আসামি পূর্ব ধোপাপাড়া গ্রামের মৃত সন্তোস কুমার সরকারের ছেলে শ্রী উত্তম কুমার সরকার (৩৭) কে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে ১৪ মে আসামীকে রাজশাহী বিজ্ঞ আদালতে হাজির করে রিমান্ডের জন্য আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত শুনানি শেষে ২ দিনের রিমান্ড মুন্জুর করেন। আসামীকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে নিবীরভাবে জিজ্ঞাসাবাদে সে ভিকটিমকে খুন করার কথা স্বীকার করে জানায়, হত্যার দুই মাস পূর্বে ভিকটিম আতেকার জমির উপর দিয়ে  ট্রলি গাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য আসামি সন্তোষ কুমার সরকারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং হাঁসুয়া দ্বারা কাটতে আসে। উক্ত ঘটনার পর থেকে আসামি সন্তোষ পরিকল্পনা করতে থাকে ঘটনার পর থেকে আসামী সন্তোষ পরিকল্পনা করতে থাকে কিভাবে প্রতিশোধ নেওয়া যায়। ঘটনার দুই মাস পর বিধবা আতেকা  ছাগল চরাতে মাঠে যাই এমন সময় আসামী সন্তোষ বিধবা আতেকাকে দেখতে পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে বাঁশের মুগর দিয়ে আতেকার মাথায় আঘাত করে।  আঘাত পেয়ে মাটিতে পড়ে গেলে ভিকটিমের হাত থেকে ধারালো হাঁসুয়া কেরে নিয়ে ভিকটিমের গলায় উপরর্যুপরি কোপ মেরে হত্যা করে।  হত্যাকান্ডের সময় আসামির পরনের গেঞ্জি রক্তাক্ত হলে বাড়িতে গেঞ্জি ধৌত করে ফেলে। পরে অজ্ঞাত নামা আসামী ককরে ভিকটিমের ছেলে আতিকুর রহমান বাদী হয়ে এ হত্যা মামলা দায়ের করে।

রাজশাহীর পিবিআই এর পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) মনিরুল ইসলাম  বলেন, তদন্তে প্রাপ্ত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাজশাহীর বিজ্ঞ আদালতে হাজির করলে আসামি বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বেচ্ছায় নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করে। পরে আদালত আসামীকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button