জাতীয়শিরোনাম

যে সব জায়গায় লকডাউন’ করা হয়েছে

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি ঠেকাতে লকডাউনের বিকল্প নেই। তাই সারা দেশে বিভিন্ন জেলাকে সংক্রমণ শনাক্তের পরপরই লকডাউন করা হচ্ছে। গতকাল সোমবার থেকে লকডাউন বা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে ঢাকার সাভার উপজেলাসহ আরো তিনটি জেলা- নেত্রকোনা, লক্ষ্মীপুর ও মৌলভীবাজার। এছাড়াও সিলেট, ঠাকুরগাঁও, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও গাজীপুর লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে গত শনিবার থেকে। বাংলাদেশে এখন লকডাউন জেলার সংখ্যা প্রায় ২৬টি। আরো ১৬টি জেলার বিভিন্ন আক্রান্ত এলাকা ও বাড়ি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এদিকে, নিরাপত্তার জন্য অনেকে আগেই লকডাউন করা হয়েছে রাজশাহী বিভাগ। বরিশালে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুজন করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় পুরো জেলা লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। গত রোববার সন্ধ্যায় এ ঘোষণা দেয় জেলা প্রশাসন।
এছাড়াও চট্টগ্রাম, খুলনা, ঢাকার বিভিন্ন আক্রান্ত এলাকাসহ নারায়ণগঞ্জ, মাদারীপুর, টাঙ্গাইল, কুমিল্লার বলিঘর গ্রাম, মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলা, জামালপুর, শরিয়তপুরের ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নসহ নড়িয়া উপজেলা, গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলা, নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলা এবং পুরো রংপুর লকডাউন করা হয়েছে।
স্ব স্ব জেলার জেলার প্রশাসকেরা লকডাউনের বিষয় নিশ্চিত করেছে। বিভিন্ন জেলায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করে পরিস্থিতি সামাল দেয়া হচ্ছে।
লকডাউন করা জেলা বা এলাকাগুলোতে সব ধরনের গণপরিবহন, জনসমাগম বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি পরিষেবা, চিকিৎসাসেবা, কৃষিপণ্য, খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ ও সংগ্রহ ইত্যাদি এর আওতাবহির্ভূত থাকবে বলে জানিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।
আইইডিসিআরের পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা গত রোববার জানান, নতুন করে চারটি জেলায় করোনাভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তিদের সবাই লকডাউনের মধ্যেই এক জেলা থেকে অন্য জেলায় গিয়েছেন।
শনিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকও স্বীকার করেন যে, নারায়ণগঞ্জ থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মানুষের গোপনে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নজরে এসেছে তাদের।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button