উপমহাদেশশিরোনাম

মহিলা ভূতের ভয়ে গ্রাম পুরুষশূন্য!

ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের একটি গ্রাম ভূতের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সেই আতঙ্কে কার্যত গ্রামছাড়া নির্মল জেলার কাসিগুদা গ্রামের সমস্ত পুরুষই। পুরুষশূন্য গ্রামে রয়েছেন শুধু মহিলারাই। সূত্রের খবর, বেছে বেছে গ্রামের পুরুষদেরই নাকি নিশানা করছে ভূতটি। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই গ্রামের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেছে।
পাথর কাটা এবং ভাঙা হল পেশা ওই গ্রামের মানুষদের। কিন্তু এই ঘটনার পর থেকে গ্রামের পুরুষরা কেউই আর নিজেদের বাড়ি ফিরতে পারছে না। এক অদ্ভূত নির্জনতা গ্রাস করেছে পুরো কাসিগুদা গ্রামকে। যেকয়েজন পুরুষ সেখানে এখনও রয়েছে, তারা সকলেই সূর্য ডোবার পর ঘরে ঢুকে যাচ্ছে। ফের পরের দিন আলো ফুটলে কাজে বেরোচ্ছে।
জানা গেছে, ওই গ্রামে মোট ৬০টি পরিবারের বাস। তবে এখন গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতেই তালা ঝুলছে। ভূত না তাড়ানো পর্যন্ত কেউই আর গ্রামে আসবে না বলে জানিয়েছে। ছোট্ট গ্রাম, যার চারিপাশ সবুজ ঘেরা, সেটা বর্তমানে এক ভুতূরে গ্রামে পরিণত হয়েছে। তবে তেলঙ্গানার বিভিন্ন গ্রামে এর আগেও ভূতের আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক কালে এই প্রথম অশরীরী আতঙ্কে গ্রামের এতজন মানুষ নিজের জায়গা ছেড়ে পালিয়েছে।
গ্রামবাসীদের ধারণা পুরুষদের নিশানা করছে কোনো মহিলা ভূতই।
ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
ভারতের একমাত্র জাদুকরী মন্দির, যেখানে ভূত ঝাড়ানো হয়!
শ্রী মেহান্দিপুর বালাজি, রাজস্থানের দুষা জেলার এক প্রাচীন মন্দির, যা লোকমুখে জনপ্রিয়, ‘ভূত ঝাড়ানোর মন্দির’ নামে। এখানে প্রতিদিন হাজারে হাজারে মানুষ আসেন ‘ভূত ঝাড়াতে’। মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস, এই মন্দিরের শক্তি এতটাই যে নিরশ্বরবাদীরাও এখানে আসলে ঈশ্বরবাদী হয়ে যান। এই মন্দিরে বীর হনুমানের পুজো করা হয়।
মন্দিরের পূজারিরা বলেন, ‘ভগবান হনুমান প্রেতাত্মার রাজা’। ভগবান ভৈরবও এই মন্দিরে পূজিত হন। শ্রী মেহান্দিপুর বালাজি মন্দিরে হনুমানের যে মূর্তি রয়েছে, সেটি প্রায় ১০০০ বছর প্রাচীন। তবে মন্দিরটির বিংশ শতকেই নির্মাণ করা হয়েছে। দুষা জেলার মানুষেরা মনে করেন, এই মন্দিরে ঈশ্বরের দান রয়েছে, আত্মা, কালা জাদুর শক্তি এই মন্দিরে আছে।
এই মন্দিরে ঈশ্বরের নিবেদনে কোনো ফুল দেওয়া হয় না। কালো রঙের গোলাকৃতির প্রসাদের প্রচলন রয়েছে এই মন্দিরে। এই মন্দিরের ভিতর সব সময়ই মন্ত্রপাঠ হয় ও ঘণ্টা ধ্বনি বাজতেই থাকে। ভূতে বিশ্বাসী না হলেও, এই মন্দিরে প্রবেশের আগে ভূতের ভাবনা মনে ও মাথায় আসেই। সূত্র: জি নিউজ
ভূত-বিশেষজ্ঞের ‘ভৌতিক’ মৃত্যু!
নেশা ছিল ভূত খোঁজা। সেই নেশাকেই পেশায় পরিণত করেছিলেন ভারতীয় তরুণ গৌরব। প্রায় ৬ হাজারের বেশি ‘ভৌতিক বাড়ি’ তে রাত কাটিয়েছেন তিনি। লক্ষ্য ছিল, মানুষের মন থেকে ভূতের ভয়কে নির্মূল করা। এই ভাবনা থেকেই ২০০৯ সালে তিনি গড়ে তোলেন ইন্ডিয়ান প্যারানর্মাল সোসাইটি। কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে সম্প্রতি ‘ভৌতিকভাবে’ মৃত্যু হয়েছে এই যুবকের।
ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার। পরিবারের সদস্যরা জানান, গৌরব বাথরুমে যাবার কিছুক্ষণ পর আচমকা অদ্ভুত শব্দ শুনতে পান তারা। গিয়ে দেখেন, অজ্ঞান অবস্থায় দরজার কাছে পড়ে আছেন। হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিত্সকরা মৃত ঘোষণা করেন। তার স্ত্রী বলেন, গৌরবকে বারবার বলতে শোনা গিয়েছে, কোনো ‘অশুভ’ শক্তি তার পিছু নিয়েছে। আর সেই শক্তিকে তিনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না। যে ব্যক্তি সারাজীবন মানুষকে ‘ভূতের ভয়’ থেকে মুক্ত করার চেষ্টা চালিয়েছেন, তার ‘ভৌতিক’ মৃত্যুর রহস্যভেদ করতে এখন গোটা পুলিশ প্রশাসন দিশেহারা। সূত্র: এবিপি আনন্দ

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button