ব্রুডা সভাপতির বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগে সদস্যদের পদত্যাগ

বেরোবি প্রতিনিধি : বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) বিতার্কিকদের সংগঠন ‘বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেট এসোসিয়েশন’ (ব্রুডা) এর বারজন সদস্য সভাপতির বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ এনে সংগঠনটি থেকে পদত্যাগ করেছেন। রবিবার বিকেলে সাধারণ সম্পাদক বরাবর তাঁরা একটি পদত্যাগ পত্র জমা দেয়ার মাধ্যমে সংগঠনটি থেকে গণপদত্যাগের ঘোষণা দেন।
পদত্যাগকারীরা হলেন, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, শাহাদাত হোসেন শামীম, উম্মে কুলসুম, সাদিয়া সুলতানা, ফজলে রাব্বি, তাহমিনা নাসরীন, আল-আমিন, শিউলি আক্তার, সাদিয়া সুলতানা, শাহাবুল ইসলাম, রিফাত ও সুশান্ত রায় পদত্যাগ করেন।
পদত্যাগকারী সদস্যরা তাদের পদত্যাগপত্রে সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন যে, ১. সাংগঠনিক যেকোন সিদ্ধান্ত সভাপতি রক্তিম মিলন এককভাবে গ্রহণ করেন। যদিও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কার্যকরী সদস্য বৃন্দের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্তগুলো গ্রহণ করার কথা। বিশেষ করে বিভিন্ন ইভেন্টের বিতর্কের দল গঠনের ক্ষেত্রে তিনি সবার মতামতকে উপেক্ষা করে বরাবরই স্বেচ্ছাচারিতার পরিচয় দিয়ে আসছেন। ২. ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে আইসিটি বিতর্ক উৎসবে ব্রুডার সামগ্রিক অর্জনের ফল তিনি একাই কুক্ষিগত করে রেখেছেন। সেই সময়ে চ্যাম্পিয়ন টিমের প্রতিশ্রুত অর্থ আজও ব্রুডার তহবিলে প্রদান করেননি। ৩. বিভিন্ন সময়ে যতবারই ব্রুডার আর্থিক তহবিলের হিসাব চাওয়া হয়েছে ততবারই তিনি অসৌজন্যমুলক আচরণ করেছেন এবং সেই সাথে আর্থিক হিসাব প্রদানে অসম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। ৪. গঠনতান্ত্রিক ভাবে কমিটি গঠনের কথা থাকলেও অগঠনতান্ত্রিক উপায়ে কমিটি গঠন করে আগ্রহী প্রার্থীদের বঞ্চিত করেছেন। ৫. ব্রুডা কতৃক আয়োজিত বিভিন্ন ইভেন্টের ফলাফলকে অন্যায়ভাবে প্রভাবিত করেছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ব্রুডার সভাপতি রক্তিম মিলন বলেন, “ চিঠিতে উল্লিখিত পাঁচটি অভিযোগই ভিত্তিহীন। তাঁরা সংগঠনটির ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য পায়তাঁরা করছে। আমি এককভাবে সংগঠনের কোনো সিদ্ধান্ত নেইনি এবং ব্রুডার ফলাফলকে অন্যায়ভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা করিনি।”
পদত্যাগ কারীদের ব্যাপারে কি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে জানতে চাইলে ব্রুডার সাধারণ সম্পাদক সালমান বিন হাফিজ বলেন, “আমি আজকে বিকেল সাড়ে তিনটায় এটি পেয়েছি। আমরা পরবর্তীতে মিটিং কল করে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেব।”




