শিক্ষা

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি জালিয়াতি

জিডি করেছেন দুই সহকারী প্রক্টর
বেরোবি প্রতিনিধি: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে সম্প্রতি উদ্ভুত পরিস্থিতির মধ্যে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিজেদের নামে মিথ্যা অভিযোগ আনায় এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও নিজের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য অপপ্রচারের প্রতিকার চেযে রংপুর কোতয়ালী থানায় পৃথক দুটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন দুই জন সহকারী প্রক্টর। তাঁরা হলেন, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুহাঃ শামসুজ্জামান এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনীম হুমাইদা।
গতকাল বৃহষ্পতিবার দায়ের করা সাধারণ ডায়েরিতে সহকারী প্রক্টর জনাব মুহাঃ শামসুজ্জামান (নম্বর ২৩৭, তারিখ: ০৪/০১/২০১৮) উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংগঠন নীল দল সংবাদ সম্মেলন করে তাঁর বিরুদ্ধে ভূয়া পরীক্ষার্থী ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ আনে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। তিনি জিডিতে উল্লেখ করেন ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন কোনো ভূয়া পরীক্ষার্থী তিনি ধরেন নি কিংবা অন্য কেউ ধরে সহকারী প্রক্টর হিসেবে তাঁর কাছে ভূয়া পরীক্ষার্থী হস্তান্তর করেন নি। এছাড়াও ভর্তি পরীক্ষার রীতি অনুযায়ী কেউ ভূয়া পরীক্ষার্থী শনাক্ত করলে তা লিখিতভাবে প্রশাসনকে জানানোর কথা। সেরকম কোনো ঘটনার সাথেও তিনি সম্পৃক্ত নন। কিন্তু নীল দলের সাধারণ সম্পাদক আপেল মাহমুদ স্বাক্ষরিত সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে তাঁকে সামাজিকভাবে হেয় করার জন্য মিথ্যাচার করা হয়েছে।
অপর সহকারী প্রক্টর তাসনীম হুমাইদা একই তারিখে দায়ের করা সাধারণ ডায়েরিতে (নম্বর-২৩৮, তারিখ: ০৪/০১/২০১৮) উল্লেখ করেন, গত ১৭ ডিসেম্বর বি ইউনিটের সাক্ষাৎকার চলাকালে শনাক্তকৃত ভূয়া পরীক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় তাঁর সাথে থাকা লোক প্রশাসন বিভাগের প্রভাষক সামান্থা তামরিন নিষেধ করা সত্বেও গোপনে কথপোকথনের অডিও ধারণ করেন এবং অনুমতি ছাড়াই তিনি তা বাইরে প্রকাশ করেছেন। অনুমতি ছাড়া গোপনে রেকর্ড করা এবং প্রশাসনকে না জানিয়ে তা বাইরে ভাইরাল করে দেয়ার কারনে সংশ্লিষ্ট সহকারী প্রক্টর হিসেবে তাঁর এবং বিশ্ববিদ্যালয়েল সম্মান ক্ষুন্ন হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button