বিপিও খাতে কাজের সুযোগ বাড়ছে

কাজের সুযোগ থাকায় প্রতিনিয়তই বিপিও সেক্টরে তরুণদের আগ্রহ বাড়ছে। তরুণদের মধ্যে পছন্দসই খণ্ডকালীন চাকরির যত ক্ষেত্র আছে, বিপিও সেক্টর তার অন্যতম। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের (বাক্য) হিসাবমতে, বর্তমানে শুধু তাদের সদস্যই রয়েছে ৮৫টি কোম্পানি, যেখানে কাজ করছেন প্রায় ৩০ হাজার কর্মী। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অগ্রগতির কারণে দেশে বিপিও সেক্টরে প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনি পড়াশোনার পাশাপাশি সুবিধামতো সময়ে কাজের সুযোগ থাকায় প্রতিনিয়তই এই খাতে তরুণদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। লিখেছেন আহমেদ ইফতেখার
বিপিওর পূর্ণ রূপ হচ্ছে বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং। বিপিও মূলত আউটসোর্সিয়েরই একটি ধরন যাতে নির্দিষ্ট কোনো বিজনেস প্রসেসের পরিচালনাগত কিছু দায়িত্ব তৃতীয় কোনো সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের হাতে দেয়া হয়। বিপিও কাজের একটি বড় অংশ তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর, এগুলো সাধারণত ITES (ইনফরমেশন টেকনোলজি এনাবল্ড সার্ভিস) বিপিও নামে পরিচিত।
বিপিওর জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি দেশ বাংলাদেশ। সুবিধাজনক ভৌগোলিক অবস্থান ও শ্রমের নিম্নব্যয়ের কারণে বাংলাদেশ বিপিও মানচিত্রে দ্রুত অগ্রগতি করতে পারবে বলে বিশেষজ্ঞরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। সরকার ইতোমধ্যে এটিকে একটি থ্রাস্ট সেক্টর হিসেবে ঘোষণা করেছে, যা বিপিওর সম্ভাবনাকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমান সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপে বাংলাদেশ বিপিও মানচিত্রে দ্রুতই জায়গা করে নিচ্ছে। বিপিও সেক্টরের সংখ্যা বাড়তে থাকায় প্রতি মাসেই দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কয়েক হাজার কর্মী নিয়োগ দেয়া হয়ে থাকে, যা একটি চলমান প্রক্রিয়া।
সুত্র: নয়া দিগন্ত



