slider

বাগমারায় সাঁকোয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন

আলমগীর হোসেন,  বাগমারা প্রতিনিধি : রাজশাহীর বাগমারায় সাঁকোয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে নতুন একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার সকাল ১০ টায় প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কাটার পাশাপাশি নাম ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে সাঁকোয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে নতুন একাডেমির ভবনের উদ্বোধন করেন রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের সংসদ সদস্য, সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক। প্রধান অতিথি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার শিক্ষা বান্ধব। শিক্ষার প্রসারে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। শহরের পাশাপাশি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন ঘটিয়েছেন। প্রতিটি বিদ্যালয়ে এখন নতুন নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের উন্নয়ন হলেই হবে না সেই বিদ্যালয়ের পড়ে ভালো মানুষ হতে হবে। ভালো মানুষ হওয়ার বিকল্প নেই। যে স্বপ্ন নিয়ে পিতা সন্তানদের লেখাপড়া করাচ্ছেন। তাদের সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে হবে। কেউ যেন লেখাপড়া থেকে ঝরে না পড়ে সে জন্য বিনামূল্যে বই প্রদানের পাশাপাশি উপবৃত্তির ব্যবস্থা করেছে সরকার। শিক্ষার্থীরা যেন ডিজিটাল পদ্ধতিতে লেখাপড়া করতে পারে সে জন্য মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম চালু করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এমপি।   নির্বাচিত বেসরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় সমূহের উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সাঁকোয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে চারতলা ভিত্তিবিশিষ্ট একাডেমিক ভবনের প্রথম তলার কাজ শেষে হয়েছে। ৮০ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা ব্যয়ে বিদ্যালয়ের ভবনটি নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করেছেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর রাজশাহীর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ গোলাম সারওয়ার আবুল, যুগ্ম সাধারণল সম্পাদক ও ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ, দপ্তর সম্পাদক নুরুল ইসলাম, সাঁকোয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন, সালেহা ইমারত ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ জিয়াউর রহমান, সালেহা ইমারত গালর্স একাডেমির প্রধান শিক্ষক মতিউর রহমান, মাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেজাউল হক, চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন সহ সাঁকোয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, সদস্য, শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। নতুন একাডেমিক ভবনটির নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ায় শিক্ষার্থীরা সুন্দর ভাবে লেখাপড়া করতে পারবে। আর সংকট হবে না শ্রেণী কক্ষের।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button