
গত ১৯ আগস্ট ২০২৩ শনিবার বিকাল ৪-টায় বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক ফ্রন্টের উদ্যোগে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা সভা ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা পার্টির সভাপতি ও সমাজতান্ত্রিক ফ্রন্টের আহ্বায়ক আব্দুল গফুর মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জননেতা মোস্তফা জামাল হায়দার, তিনি ১৯৬৭
সালের স্বাধীন জনগণতান্ত্রিক পূর্ব বাংলার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনে চীন-রাশিয়ার দ্বিমত আমাদের দেশকেও আচ্ছন্ন করেছিল। আওয়ামী লীগ স্বাধীনতার আন্দোলন সমর্থন করে নাই। আমরা শ্রেণী সংগ্রাম ও জাতীয় সংগ্রামের সমন্বয় করতে পারি নাই। বর্তমান সময়ের সংগ্রামে
সমাজতান্ত্রিক শক্তিকে সমর্থন দেব। নয়াগণতান্ত্রিক পার্টি-এনজিপি’র সভাপতি জননেতা মাস্টার এম এ মান্নান বলেন, মাফিয়াদের বিরুদ্ধে সবাই মিলে সংগ্রাম করতে হবে। হরতাল, সভা-সমাবেশ জনগণের অধিকার। জুলুম-অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াই ন্যায়সঙ্গত। নয়াগণতান্ত্রিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক ইমরুল কায়েস বলেন, যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে ৫% শোষকদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে। পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন নেতা এস আলম বলেন, ক্ষমতাসীনদের বিদায়ের পর সংবিধান সভার নির্বাচন দরকার।
সভার সভাপতি কমরেড আব্দুল গফুর মিয়া বলেন, বর্তমান মাফিয়া সরকার বিরোধী আন্দোলনকে জোরদার করার জন্য, শ্রমিক-কৃষক-ছাত্র, বেকার, পেশাজীবী ও রাজনৈতিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সংগ্রাম
কমিটি গড়ে তুলতে হবে। আমেরিকা সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার। চীন-রাশিয়া জনগণের দুর্দশা বুঝুক। জালিম সরকারের অপসারণ করে জনগণের পক্ষে তারা থাকুক।
এ এ এম ফয়েজ হোসেন সভা সঞ্চালনা করেন। তিনি চলমান আন্দোলনকে দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সর্বদলীয় সংগ্রাম কমিটি গঠনের জন্য আহ্বান জানান এবং লাগাতর ৬ দিনের সংগ্রাম দিবস ঘোষণার জন্য প্রস্তাব করেন।
সভায় জনগণের মৌলিক সমস্যা সমাধানের জন্য অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা, শান্তি, কাজের নিশ্চয়তা, দ্রব্যমূল্য কমানোর জন্য চলতি মাফিয়াতন্ত্রের দ্রুত অবসান দরকার বলে বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।




