
তৈয়বুর রহমান কিশোর, বোয়ালমারী প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ সংসদীয় আসনে বিভিন্ন ছোট দল ও স্বতন্ত্রসহ মোট ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে ৬ জন প্রার্থীর জামানত জব্দ হয়েছে। অর্থাৎ মোট প্রার্থীর প্রায় ৬৮ শতাংশ (৬৭.৮৫%) জামানত হারিয়েছেন। গণ প্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও ১৯৭২) এর আর্টিকেল ৪৪-এর তিন ধারায় বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী যদি সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশ বা ১২.৫ শতাংশের কম ভোট পান, তবে তার জমা দেওয়া জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে সরকারি কোষাগারে জমা হবে। রিটার্নিং কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত আসন ভিত্তিক ফলাফলে দেখা গেছে, ফরিদপুর-১ আসনে বিজয়ী ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া অধিকাংশ প্রার্থীই উল্লেখযোগ্য ভোট পাননি। ফরিদপুর-১ আসনে বিজয়ী ও রানারআপ ছাড়া সকলের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
ফরিদপুর-১ আসন (বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা-মধুখালী)। এ আসনে মোট প্রার্থী ৮ জন। পেয়েছেন-মোট বৈধ ভোট: ৩,১৮,৯৯৮টি। তাদের জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ৩৯,৮৭৫ ভোট। এ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. ইলিয়াস মোল্লা বিজয়ী হন এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির খন্দকার নাসিরুল ইসলাম। বাকি ছয়জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন, মো. আবুল বাশার খান (ফুটবল) ৩৪,৩৮৭ ভোট, মৃন্ময় কান্তি দাস (রকেট) ৭৮৬ ভোট, মো. গোলাম কবির মিয়া (মোটরসাইকেল) ২,১৫৯ ভোট, মো. হাসিবুল রহমান (হরিণ) ৪৫৫ ভোট, শেখ আব্দুর রহমান জিকো (উট) ৮৪ ভোট ও সুলতান আহম্মেদ খান (লাঙ্গল) পেয়েছেন ৫০৬ ভোট।
জানতে চাইলে ফরিদপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্লা জানান, ফরিদপুর -১ আসনের ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে অনেকে খুব কম ভোট পেয়েছেন। যারা নির্ধারিত ভোটের সীমা অর্জন করতে পারেননি, তাদের জামানতের অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হবে।




