প্রথম দিনের নায়ক মুশফিকই
চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম দিনের খেলা শেষে ক্রিকেটের সুপরিচিত ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফোর মূল্যায়ন ছিল এমন : খেলার জন্য চমৎকার একটি দিন। বাংলাদেশ সম্মান অর্জন করেছে। এর প্রধান কারণ তাদের অধিনায়ক ৬২ রানের একটি দারুণ ইনিংস খেলেছেন। মুশফিকুর রহীম প্রায় চার ঘণ্টা ব্যাট করেছেন।
মুশফিকের সাফল্যের নেপথ্যে ছিল তার স্ট্রেইট ব্যাটে খেলার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ মনোভাব। তিনি স্লো পিচে স্পিনারদের সামাল দিয়েছেন।
দিনের একটি বড় সময় তার সঙ্গী ছিলেন সাব্বির রহমান। তার সফলতার পেছনে ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন কারণ। তিনি অস্ট্রেলিয়ান বোলিংকে আক্রমণ করেছেন। চার দিক দিকে চার-ছক্কা হাঁকিয়েছেন।
সাব্বির আর মুশফিকের ১০৫ রানের পার্টনারশিপে ভর করে বাংলাদেশ এখন প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজ জয়ের স্বপ্ন দেখতে পারে।
মুশফিক-সাব্বিরের রেকর্ড
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের হয়ে ষষ্ঠ উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটি গড়লেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম ও সাব্বির রহমান। টেস্টের প্রথম দিন ষষ্ঠ উইকেটে ১০৫ রান যোগ করেন মুশি ও সাব্বির। ফলে ভেঙ্গে যায় খালেদ মাসুদ ও সানোয়ার হোসেনের রেকর্ডটি। ২০০৩ সালে কেয়ানর্স টেস্টের ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ৬০ রান করেছিলেন খালেদ মাসুদ ও সানোয়ার।
আজ ১১৭ রানে পঞ্চম উইকেট হারানোর পর জুটি বাঁধেন মুশফিকুর ও সাব্বির। ২০৮ বল মোকাবেলা করে ১০৫ রান যোগ করেন তারা। ষষ্ঠ উইকেটে এই জুটির স্কোর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সর্বোচ্চ রান। আর যেকোন উইকেট জুটিতে এটি চতুর্থ স্থানে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটি ১৮৭ রান। ২০০৬ সালে ফতুল্লা টেস্টে দ্বিতীয় উইকেটে ১৮৭ রান করেছিলেন শাহরিয়ার নাফীস ও হাবিবুল বাশার।
নিজেদের টেস্ট ক্রিকেটে ২০১৩ সালে সর্বশেষ ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ১শ’ বা তার বেশি রান করেছিলো বাংলাদেশ। গল টেস্টে শ্রীলংকার বিপক্ষে ১০৬ রান যোগ করেছিলেন মুশফিকুর রহিম ও নাসির হোসেন।




