
দেবী বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শনিবার শেষ হয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দূর্গাপূজা।
বিষাদের সুর আর চোখের জলে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানিয়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
সনাতন ধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, আজ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে মা দূর্গা তার সন্তান কার্তিক, গণেশ, লক্ষ্মী, স্বরস্বতীসহ কৈলাসে শ্বশুর বাড়ি ফিরে গেছেন। পিতৃগৃহে এই ধরণীতে তিনি আবার আসবেন এক বছর পর।
রাজধানীর অধিকাংশ মণ্ডপের প্রতিমা বিসর্জন হয় সদরঘাটে বুড়িগঙ্গা নদীতে।
এছাড়া মহানগর পূজা উদযাপন কমিটি সূত্র জানায়, রাজধানী ও আশেপাশে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও আশুলিয়ার কাছের নদীগুলিতে প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হয়।
এর আগে দেবী দুর্গাকে বিদায় দেয়ার জন্য শেষ প্রস্তুতি হিসেবে রাজধানীর প্রায় সব মন্দির প্রাঙ্গনেই দেখা মিলেছে নানা কর্মসূচি উদযাপনের দৃশ্য। শেষবারের মতো মাকে দর্শন, পূজা করার পাশাপাশি বিদায় দেয়ার জন্য পূজামণ্ডপগুলোতে ভিড় জমান ভক্তরা। জীবনের পঙ্কীলতা থেকে মুক্তির আশায় দেবীকে প্রণাম নিবেদন করেন ভক্তরা। নারীরা দেবীর ললাটের সিঁদুর আপন ললাটে এঁকে নেন।
আগামী শরতে আবার বাঙালি হিন্দুর ঘরে ঘরে মা দুর্গা ফিরে আসবেন, সে কামনায় থাকবেন ভক্তরা।
আজ সকালে বিজয়া দশমীতে ‘বিহিত পূজা’ আর ‘দর্পণ বিসর্জনে’ দুর্গাপূজার শাস্ত্রীয় সমাপ্তি হয়। সকালে হিন্দু সম্প্রদায়ের মাতৃত্ব ও শক্তির প্রতীক দেবী দুর্গার আশির্বাদ প্রার্থনায় মণ্ডপে-মণ্ডপে চলে উৎসবের শেষ আনুষ্ঠানিকতা। দশ দিন আগে মহালয়ার পুণ্য তিথিতে দেবীকে মর্ত্যে আবাহনের মাধ্যমে যে উৎসবের সূচনা হয়েছিল।



