দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা

বাংলাদেশে দারুল ইহসান বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ এবং অন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আউটার ক্যাম্পাসের কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত কার্যক্রম (আউটার ক্যাম্পাসসহ) বন্ধ ঘোষণা করা হয়।এ ছাড়া দেশের সকল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আউটার ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে মন্ত্রণালয়ের আদেশে।
হাইকোর্টের সাম্প্রতিক এক রায়ের প্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় গতকাল (সোমবার) এ সংক্রান্ত এক আদেশ জারি করে।
বাংলাদেশের বেশ কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রাথমিকভাবে একটি শহরে স্থাপিত হলেও পরবর্তী কালে বিভিন্ন শহরে এগুলোর শাখা ক্যাম্পাস স্থাপিত হয়েছে। এগুলোকেই স্থানীয়ভাবে আউটার ক্যাম্পাস বলা হয়ে থাকে।
হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়টির কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশে উল্লেখ করা হয়।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১০ অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের মূল অনুমতিপত্রে যে শহর বা স্থানের উল্লেখ থাকবে – তার বাইরে অন্য কোন জায়গায় ক্যাম্পাস, শাখা বা কার্যক্রম পরিচালনা করা যায় না।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান বিবিসি বাংলাকে বলেন, ২০০৬ সালেই মঞ্জুরি কমিশন দারুল ইহসানের আউটার ক্যাম্পাস বন্ধ করার নির্দেশ নেয়। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করা হয় – যার কয়েকদফা শুনানী শেষে ১০ বছর পরে চূড়ান্ত রায় হলো।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ই এভাবে আউটার ক্যাম্পাস পরিচালনা করছিল যা অবৈধ। এগুলো বন্ধ করার জন্য কমিশন বহুদিন ধরেই আইনী প্রয়াস চালাচ্ছে, এবং এসব ক্যাম্পাসে যেন ছাত্রছাত্রীরা ভর্তি না হয় সে জন্য গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে শিক্ষার্থীদের জানিয়ে দেয়া হচ্ছে।
অধ্যাপক মান্নান বলেন, আউটার ক্যাম্পাসগুলোতে যেসব ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করতেন – তারা এখন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মূল ক্যাম্পাসে বা যেসব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়নি – সেগুলোতে চলে যেতে পারেন। অতীতে এটা হয়েছে বলে জানান তিনি। বিবিসি




