sliderস্থানিয়

তরিকুল ইসলাম ছিলেন আজীবন সংগ্রামী, কিংবদন্তিতুল্য নেতা- মির্জা আলমগীর

স্বীকৃতি বিশ্বাস, যশোর: যশোরের গণমানুষের নেতা, সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মরহুম তরিকুল ইসলামের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।

আজ বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) যশোর টাউন হল ময়দানে এ স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, তরিকুল ইসলাম ছিলেন আজীবন সংগ্রামী, কিংবদন্তিতুল্য নেতা। তিনি মা, মাটি ও মানুষের জন্য রাজনীতি করেছেন; কখনো অন্যায়-অনিয়মের সঙ্গে আপোষ করেননি। শত নির্যাতন-অত্যাচারের মধ্যেও তিনি আদর্শে অবিচল ছিলেন। ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারের পতনের আন্দোলনে তিনি দীর্ঘদিন সংগ্রাম করেছেন, কিন্তু স্বাধীন ও স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ দেখে যেতে পারেননি। আজকের বাংলাদেশে তাঁর মতো নেতার খুব প্রয়োজন ছিল। তিনি যুগে যুগে বিরলপ্রজ নেতা ছিলেন, যাঁদের জন্ম ঘন ঘন হয় না।
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ৭ নভেম্বর জাতির ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনতা জাতিকে মহাদুর্যোগ থেকে রক্ষা করেছিল। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের পথ সুগম করতে হবে। কিন্তু যদি নির্বাচন নিয়ে টালবাহানা করা হয়, তার পরিণাম শুভ হবে না বলে তিনি সতর্ক করেন।

পরিশেষে বিএনপির মহাসচিব মরহুম তরিকুল ইসলামের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং যশোর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের প্রাথমিক মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন। এ সময় তিনি ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রকৌশলী টি. এস. আইয়ুব, মফিকুল হাসান তৃপ্তি, কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণ, সাবিরা সুলতানা মুন্নি, আবুল হোসেন আজাদ, অমলেন্দু দাস অপু, জাহানারা সিদ্দিক, জাহাঙ্গীর বিশ্বাস, আলী আহম্মদ, মনোয়ার হোসেন, হাসান জহির, তানিয়া রহমান, জহুরুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল মান্নান, সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরের সভাপতি আকরামুজ্জামান প্রমুখ।

স্মরণ সভার মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক নার্গিস বেগম, খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ জেলার বিভিন্ন থানা বিএনপির সভাপতি-সম্পাদক ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button