টি-টোয়েন্টিতেও রেকর্ড জয় টাইগারদের

টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজে জিম্বাবুয়ে বড় কোনো পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি বাংলাদেশকে। তবে টি-টোয়েন্টিতে এই দলটাকে নিয়ে আগের দিন সতর্কতার কথাই জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। জিম্বাবুয়ের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক শন উইলিয়ামসের কণ্ঠেও ছিল ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয়। কিন্তু মাঠের লড়াইয়ে আসলে চিত্রটা থেকে গেল আগের মতোই। টি-টোয়েন্টিও বাংলাদেশের বিপক্ষে অসহায় থেকে গেল জিম্বাবুয়ে।
সোমবার দুই ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে জিম্বাবুয়েকে ৪৮ রানের ব্যবধানে হারিয়েছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে রানের হিসেবে এটিই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়। এর আগে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নিজেদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ড গড়েছিল টাইগাররা।
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করে ৩ উইকেটে ২০০ রানের পুঁজি গড়ে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে যা টাইগারদের সর্বোচ্চ সংগ্রহ। বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে স্বাগতিক বোলারদের তোপে পড়ে শুরু থেকেই পথ হারা ছিল সফরকারী দল। শেষ পর্যন্ত তারা ১৯ ওভারে ১৫২ রানে থামে।
সিরিজে ১-০ তে লিড পেল বাংলাদেশ। এর আগে একমাত্র টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে জয় পায় স্বাগতিকেরা। এরপর তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রতিপক্ষকে দেয় হোয়াইটওয়াশের স্বাদ। বুধবার একই ভেন্যুতে শেষ টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হবে দুই দল।
জিম্বাবুয়ের পক্ষে এদিন বড় স্কোর করতে পারেননি কেউই। সর্বোচ্চ ২৮ রান এসেছে ওপেনার তিনাশে কামুনহুকামুয়ের ব্যাট থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৫ রান এসেছে কার্ল মুম্বার ব্যাট থেকে।
বাংলাদেশের পক্ষে ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান ও আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। ১টি করে উইকেট নেন শফিউল ইসলাম, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও আফিফ হোসেন।
এর আগে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে তামিম ইকবাল ও লিটন দাস জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে রেকর্ড ওপেনিং জুটি উপহার দেন। উদ্বোধনী জুটিতে ৯২ রান যোগ করেন দুজন। তামিম ৩৩ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় করেন ৪১ রান। লিটন ৩৯ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় করেন ৫৯ রান।
এরপর ঝোড়ো ইনিংস উপহার দেন সৌম্য সরকার। ৩২ বলে ৬২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি ৪ চার ও ৫ ছক্কায়। সৌম্যর শেষের ঝড়েই বড় পুঁজি পায় টাইগাররা। ম্যাচসেরাও হয়েছেন সৌম্য।



