খেলা

জিম্বাবুয়ের কাছেও হেরে গেলো বাংলাদেশ

আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে লজ্জাজনক পরাজয় বরণ করে বাংলাদেশ দল। ২২৪ রানের বিশাল পরাজয়ের ধাক্কা না কাটতেই জিম্বাবুয়ের কাছে প্রস্তুতি ম্যাচে হেরে গেলো টাইগাররা। বিশ্বকাপের পর লঙ্কানদের সাথে হার দিয়ে শুরু করে এখন পর্যন্ত জিম্বাবুয়ের কাছে হার! কিছুই ঠিক চলছে না বাংলাদেশের। প্রস্তুতি ম্যাচ বলেই হয়তো রক্ষে। নয়তো আইসিসির সদস্যপদ স্থগিত হওয়া জিম্বাবুইয়ানদের সাথে হেরে যাওয়া সহজে হজম হওয়ার কথা না।
প্রস্তুতি ম্যাচ হলেও বাংলাদেশ জাতীয় দলের মুশফিকুর রহীম, সাব্বির রহমান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দীন, আরিফুল হকের মতো খেলোয়াড়রা খেলেছিলেন এই ম্যাচে।জাতীয় দলের তারকাদের নিয়েও জিম্বাবুয়ের কাছে পাত্তা পেল না বিসিবি একাদশ। ফতুল্লার খান সাহেব ওসমানী স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি প্রস্তুতি ম্যাচে বিসিবিকে ৭ উইকেট আর ১৬ বল হাতে রেখে হারিয়েছে হ্যামিল্টন মাসাদাকদজার দল।
বাংলাদেশ দলের টপ অর্ডারের প্রায় সব ব্যাটসম্যানই অবশ্য রান পেয়েছেন, কিন্তু আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টের মতোই থিতু হয়ে আউট হয়েছেন তারা। বিসিবি একাদশের হয়ে ইনিংস উদ্বোধন করেন দুই প্রতিশ্রুতিশীল ওপেনার সাইফ হাসান আর নাইম শেখ। দুজনই ভালো শুরুর পর উইকেট বিলিয়ে দিয়েছেন।
প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ১৯ বলে ২১ রান করেন সাইফ, নাইম করেন ১৪ বলে ২৩। তিন ও চারে খেলেছেন জাতীয় দলের দুই বড় তারকা সাব্বির রহমান আর মুশফিকুর রহীম। সাব্বির ৩১ বলে ১ ছক্কার সাহায্যে করেন মাত্র ৩০ রান। ২৬ বলে ২ বাউন্ডারিতে ২৬ রান আসে মুশফিকের উইলো থেকে।
এরপর আফিফ হোসেন ধ্রুব (৮ বলে ১০), ইয়াসির আলী (১০ বলে ৬), আরিফুল হক (৪ বলে ৯), মোহাম্মদ সাইফদ্দীনরাও (৭ বলে অপরাজিত ৭) টি-টোয়েন্টির আমেজটা দেখাতে পারেননি। ফলে ৭ উইকেটে ১৪২ রানেই থেমেছে বিসিবি একাদশের ইনিংস।
জিম্বাবুয়ের শন উইলিয়ামস ১৮ রানে নিয়েছেন ৩টি উইকেট। ২টি উইকেট শিকার নেভিলে মাদজিভার।
জিম্বাবুয়ের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৪৩ রানের, টি-টোয়েন্টিতে বড় বলার উপায় নেই। বাংলাদেশি বোলারদের ব্যর্থতায় কাজটা যেন আরও সহজ হয়ে যায় জিম্বাবুয়ের। হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ২৩ বলে ৩১ করে আউট হলেও আরেক ওপেনার ব্রেন্ডন টেলর খেলেছেন দায়িত্ব নিয়ে। ৬৬ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর তিনিসেন মারুমাকে নিয়ে ম্যাচ জেতানো এক জুটিই গড়েছেন তিনি।
চতুর্থ উইকেটে তারা অবিচ্ছিন্ন থাকেন ৫৫ বলে ৭৮ রানে। টেলর ৪৪ বলে ৫৭ আর মারুমা ২৮ বলেই খেলেন ৪৬ রানের ঝড়ো এক ইনিংস।
বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে যা একটু সুবিধা করতে পেরেছেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। ৪ ওভারে ১৯ রান দিয়ে তিনি নেন ৩টি উইকেট। টি-টোয়েন্টি দলের চমক ইয়াসিন আরাফাত মিশু ২ ওভারেই দিয়েছেন ২২ রান, পাননি একটি উইকেটও।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button