জাপানের কাছে পাত্তাই পেলো না বাংলাদেশের মেয়েরা

ইদানিং কালের বাংলাদেশের ফুটবলে সাফল্য গুলো নারী দল কেন্দ্রিক। নারীদের সবধরণের ফুটবলে সেরা সময় কাটাচ্ছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। কিন্তু এএফসি অনুর্ধ্ব-১৬ ফুটবলে বাংলাদেশ নারী দল নিজেদের ছায়া হয়ে আছে। প্রথম ম্যাচে থাইল্যান্ডের সাথে হারার পর জাপানের গোলের নিচে চাপা পড়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা।
বয়স এখনো ১৬ পেরোয়নি গোলরক্ষক রুপনা চাকমার। রুপনাকে দেখে খুব অসহায় লাগছিল। বারবার গোল পোস্টের ভেতর থেকে বল বের করে এনে তুলে দিচ্ছে সতীর্থদের কাছে। এর পরে আবার শুরু হচ্ছে খেলা। শেষ পর্যন্ত নবমবারে থেমেছে বাংলাদেশ গোলরক্ষকের বল কুড়িয়ে আনা। থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপে আজ জাপানের কাছে ৯-০ গোলে উড়েই গিয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা। ২০১৭ সালে একই টুর্নামেন্টে জাপানের কাছে ৩-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ।
এএফসি অনুর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপে থাইল্যান্ডের চনবুরিতে আজকের ম্যাচের ফলাফল যেন বাংলাদেশের মেয়েদের অবনতির গ্রাফটাই তুলে ধরেছে। দুই বছরের মধ্যবর্তী সময়ে মারিয়া মান্দারা যেন ফুটবল খেলাটাই ভুলে গিয়েছে। গোলের ব্যবধানে ৬ গোল বেশি হজম করা তো অনেক পিছিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিতই। ২০১৭ সালে প্রথমবার এএফসি চ্যাম্পিয়নশিপ খেলতে গিয়ে তিনবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জাপানের কাছে ৩-০ গোলের হারে তেমন গ্লানি ছিল না। কিন্তু দুই বছর বাদে সেই দলের বেশ কিছু খেলোয়াড় নিয়ে ৯-০ গোলের হার মেনে নেওয়াই কঠিন।
৯-০ গোলের স্কোর লাইনের ম্যাচের নিয়ে কাঁটা ছাড়া না করলেও চলছে। স্পষ্টত জাপানের মেয়েদের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি বাংলাদেশের মেয়েরা। বলের নিয়ন্ত্রণ, গতি ও স্ট্যামিনা সবকিছুতেই এগিয়ে ছিল জাপানিজরা। প্রথমার্ধে ৫ গোল হজমের পর মনে হচ্ছিল অনেক বড় ব্যবধানে হারতে যাচ্ছে গোলাম রব্বানির শিষ্যরা। সে তুলনায় দ্বিতীয়ার্ধে ৪ গোল হজম কমই।
নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক থাইল্যান্ডের কাছে ১-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। আজ দ্বিতীয় পরাজয়ে গ্রুপ পর্ব থেকে প্রায় বিদায় নিশ্চিত হলো। গ্রুপের শেষ ম্যাচে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।



