
পতাকা ডেস্ক: রাজধানীর বেইলি রোডস্থ ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনায় আজ অংশ নিয়েছে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি। দলের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার সানী আব্দুল হক দলের পক্ষ থেকে সভায় প্রতিনিধিত্ব করেন।
আজকের সভার সভাপতি প্রফেসর ড. আলী রীয়াজ সভার শুরুতে এনসিসি গঠন ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি সংক্রান্ত প্রস্তাবটি তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। দলের পক্ষ থেকে আলোচনায় অংশ নিয়ে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, অতীতে নির্বাহী বিভাগের নামে মূলত: শেখ হাসিনার একক পছন্দেই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান গুলোতে নিয়োগ দেয়া হয়েছে, ফলে ফ্যাসিবাদী আমলে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের বিচারপতিকে পর্যন্ত বলতে শোনা গেছে যে তিনি ‘শপথবদ্ধ রাজনীতিবিদ’। তেমনিভাবে দলান্ধ অযোগ্য লোকদের নিয়োগ দেয়ার কারণে পিএসসি’র প্রশ্নপত্র ব্যাপকহারে ফাঁস হয়েছে যা নজিরবিহীন। তিনি বলেন, প্রশ্ন হলো আমরা কি আগের অবস্থা বহাল রাখবো নাকি সংস্কার করবো? সহ্স্র প্রাণ ও রক্ত সাগর পেরিয়ে যে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে তাকে তাৎপর্যপূর্ণ করতে হলে অবশ্যই সংস্কার অপরিহার্য এবং সে কারণেই এবি পার্টি জাতীয় সাংবিধানিক পরিষদ (এনসিসি) গঠন ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ইলেকট্রোরাল কলেজ পদ্ধতিতে এবি পার্টি সম্মত।
দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার সানী আব্দুল হক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ইলেকট্রোরাল কলেজ পদ্ধতির প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদটি সত্যিকার অর্থে ক্রিয়াশীল করার নিমিত্তে নির্বাচনের পদ্ধতির পাশাপাশি তার কার্যক্রমের গুনগত পরিবর্তন আবশ্যক। অন্যথায়, একটি সুন্দর পদ্ধতির মাধ্যমে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি একজন প্রতীকী রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে অকার্যকর ভূমিকা অব্যাহত রাখবেন।
বৈঠক শেষে এবি পার্টির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে দলীয় অবস্থান ব্রিফ করেন।




