
কেরানীগঞ্জেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রসারণ করা হবে। একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার জন্য যে পরিমাণ জমির প্রয়োজন তার পুরোটাই কেরানীগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব তহবিল থেকে কেনা ২৫ বিঘার জমির আশেপাশে অধিগ্রহণ করা হবে। এ ব্যাপারে আজ মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকের নিয়মিত এজেন্ডা শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হলের দাবিতে চলমান আন্দোলন এবং সেখানে বিরাজমান সমস্যা নিয়ে অনির্ধারিত আলোচনায় এ সিদ্ধান্ত হয় বলে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ জানান।
বৈঠক শেষে শিক্ষামন্ত্রী মন্ত্রণালয়ে পৃথক সংবাদ সম্মেলন করেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ও বর্তমান ৩০ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য যে অবকাঠামো এবং তা গড়ে তুলতে যে পরিমাণ জমির প্রয়োজন তার কোনোটিই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নেই। প্রধানমন্ত্রী চান একটি অখণ্ড জমিতেই পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অবকাঠামো গড়ে তুলতে। এজন্য যা করা প্রয়োজন তা করার নির্দেশ দেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী কেরানীগঞ্জেই বিদ্যমান ২৫ বিঘা জমির আশেপাশেই প্রয়োজনীয় জমি অধিদগ্রহণ করতে নির্দেশ দেন। ওই ২৫ বিঘা জমির পাশে আরো জমি রয়েছে বলে স্থানীয় এমপিসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ করে জানা গেছে।
মন্ত্রী বলেন, একটি অখণ্ড জমিতেই একাডেমিক ভবন, ল্যাব, লাইব্রেরি, অডিটরিয়াম, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। এসব কাজ রাতারাতি হয়ে যাবে না। তবে, প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছা ও নির্দেশনা এবং এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলে বিরাজমান সমস্যাগুলোর অর্ধেক সমাধান হয়েছে বলে মনে করেন শিক্ষামন্ত্রী।
শিক্ষার্থীরা এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাবে বলে মনে করেন শিক্ষামন্ত্রী।
কেরানীগঞ্জে পূর্ণাঙ্গ অবকাঠামো গড়ে ওঠার পর পুরাতন ঢাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান অবকাঠামোর কি হবে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্ত বলা যাবে না। তবে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।



