
রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান দস্তগীরকে রাতভর মারধরের অভিযোগ উঠেছে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রুদ্র নাথ টুটনের বিরুদ্ধে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের একই আঞ্চলিক(বঙ্গ) গ্রুপের ছাত্রলীগের নেতা হলেও দু-গ্রুপে বিভক্ত। তাদের এ বিভক্তি দূর করতে ওই আঞ্চলিক গ্রুপটি রাতে সিনিয়র-জুনিয়রসহ তাদের দুজনকে নিয়ে বসে। কিন্তু সেখানে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তারা ধাক্কাধাক্কি শুরু করে।
মোস্তাফিজুর রহমান দস্তগীর দেশ রূপান্তরকে বলেন, আমি মিঠু (শেকৃবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি) ভাইয়ের রাজনীতি করি কেন এ নিয়ে আমার ওপর ক্ষিপ্ত হন তিনি। আমাকে তার সঙ্গে মিজান (শেকৃবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক) ভাইয়ের রাজনীতি করতে বলেন। তাই রাত ২টার সময় তার রুমে ডেকে ফজর পর্যন্ত আমাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালান হয়। এতে অংশ নেয় ১৪ ব্যাচের মামুন হোসাইন ও সাকিব, ১৬ ব্যাচের উজ্জল, ১৭ ব্যাচের তাশরিফ, ১৮ ব্যাচের রাকিব, এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিল টুটনের প্রায় ৩০-৪০ জন মতাদর্শী উপস্থিত ছিল।
তবে অভিযুক্ত টুটন বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, এ রকম কিছুই হয়নি, সকালে শুনলাম সে অসুস্থ, আমিও মেডিকেলে দেখতে গিয়েছিলাম। ওটা বঙ্গীয় (আঞ্চলিক) মিটিং ছিল, সব ব্যাচের শিক্ষার্থীরা সেখানে ছিল, মারামারির কোনো ঘটনা ঘটেনি।
এ বিষয়ে শেকৃবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বলেন, আমরাও বিষয়টা শুনেছি, তবে এটা তাদের আঞ্চলিক গ্রুপের ইন্টারনাল বিষয় হওয়ায় আমাদের তেমন করার কিছু নেই।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়টির সহকারী প্রক্টর রুহুল আমিন জানান, ঘটনাটি শুনেছি। ভুক্তভোগী যদি লিখিত অভিযোগ দেয় তাহলে আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখব। ভুক্তভোগী দস্তগীর বর্তমানে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
দেশ রূপান্তর




