
মাথায় স্ত্রীর করা আঘাতে আহত হয়ে টানা ১শ’ দিন বিভিন্ন হাসপাতালে থেকে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে মারা গেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ কোর্ট পুলিশে কর্মরত এটিএসআই কামরুল হাসান (৪৩)।
গত সোমবার (৮ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের মা সোনাভান বেওয়া গত মঙ্গলবার (৯ জুন) রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় হত্যা মামলা করেছেন। মামলায় নিহতের স্ত্রী গাজীপুর শ্রীরামপুরের জহুরা বেগম (৪০) ও নিহতের ছেলে আবদুল্লাহকে (১৮) আসামি করা হয়েছে। মামলার তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশকে দেয়া হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্য (ওসি) জিয়াউর রহমান ও পরিদর্শক (অভিযান) মিন্টু রহমান ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।
ওসি বলেন, এক ছেলে ও দুই মেয়ের জনক কামরুুল হাসান চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের কল্যানপুর মহল্লায় ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। তার নিজ বাড়ি নাটোরের সিংড়া উপজেলায়। গত পহেলা মার্চ পারিবারিক কলহের জেরে কল্যানপুরের ভাড়া বাড়িতে তার মাথায় গুরতর আঘাত করে পালিয়ে যান তার স্ত্রী জহুরা বেগম (৪০)।
এরপর কামরুলকে প্রথমে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে,এরপর ঢাকা রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স হাসপাতাল, তারপর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও শেষে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। টানা ৩ মাস ১০ দিন চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় গত সোমবার রাতে তার মৃত্যু হয়।
ওসি বলেন, এ ঘটনায় তখন মামলা হয়নি। ঘটনার সময় কামরুলের স্ত্রী পালিয়ে গেলেও পরে হাসপাতালে স্বামীর খোঁজ নেন। এখন আবার তিনি পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে। ঢাকায় ময়নাতদন্তের পর এ ব্যাপারে সদর থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়।
বুধবার (১০ জুন) বিকেলে পরিদর্শক মিন্টু রহমান জানান, মামলার তদন্তভার জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়েছে।
পূর্বপশ্চিম




