Uncategorized

গাইবান্ধায় বন্যাকবলিত লক্ষাধিক মানুষ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি : গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে গাইবান্ধার সবগুলো নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে করে প্লাবিত হয়েছে ব্রহ্মপুত্র নদসহ যমুনা, তিস্তা, ঘাঘট, করতোয়া আলাই ও বাঙ্গালী নদীর নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের বসতভিটা, ফসলি জমিসহ বিভিন্ন স্থাপনা।
গত বছরের বন্যার মতো এবারও ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে। নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে বেড়ে গেছে নদীভাঙন। ভাঙনের শিকার হচ্ছে গাইবান্ধা সদর, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার ২০ টির বেশি ইউনিয়ন।
এ ছাড়া বাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করায় মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এরমধ্যে এই চার উপজেলার ২৬টি ইউনিয়নের ৩০ হাজার ৮৭৬ পরিবারের এক লাখ ২২ হাজার ৩২০ জন পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
এরমধ্যে মঙ্গলবার বিকেল ৩ টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমার ১০৩ সেন্টিমিটার ও ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার ৭৭ সেন্টিমিটার। তবে করতোয়া নদীর পানি বিপদসীমার ৩৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও পানি বৃদ্ধি পাচ্ছেই। অপরদিকে পানি কমছে তিস্তা নদীর।
বন্যাকবলিত এলাকাগুলোয় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি, খাদ্য, শিশু খাদ্য, গোখাদ্য, নারীদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যসামগ্রী ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার সংকট। কষ্ট পেতে হচ্ছে বন্যাকবলিত এসব মানুষকে। অনেকে আশ্রয়কন্দ্রে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। তবে পর্যাপ্ত ত্রাণের অভাব রয়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এ কে এম ইদ্রিশ আলী বলেন, বন্যাকবলিত জেলার চার উপজেলার জন্য ৩২০ মেট্রিক টন চাল, ১৫ লাখ টাকা, চার লাখ টাকার শিশুখাদ্য, দুই লাখ টাকার গোখাদ্য ও তিন হাজার ৬০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ করা হয়েছে।
সুত্র : দেশ রূপান্তর

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button