কোটা সংস্কার দাবি : আন্দোলনকারী এক শিক্ষার্থীকে ধরে নিয়ে গেল ছাত্রলীগ

কোটা সংস্কার দাবিতে চলমান আন্দোলন থেকে এক শিক্ষার্থীকে ধরে নিয়ে গেল ছাত্রলীগ। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আবার ছেড়ে দেয়া হয়। রোববার সকাল সোয়া ১০টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে তাকে ধরে নেয়া হয়।
আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক এ শিক্ষার্থীর নাম বিন ইয়ামিন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী।
জানা যায়, পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে কোটা সংস্কার আন্দোলনে যোগ দিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের দিকে যাচ্ছিলেন ইয়ামিনসহ অন্যরা। এ সময় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদার মোহাম্মদ নিজামুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম এহতেশাম, পরিকল্পনা ও কর্মসূচি বিষয়ক সম্পাদক রাকিব হোসেনসহ বেশ কয়েকজন সেখান থেকে তাকে মধুর কেন্টিনে ধরে নিয়ে আসে। পরে কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন মধুর কেন্টিনের গোলঘরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আইন বিষয়ক সম্পাদক আল নাহিয়ান খান জয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্সও সেখানে আসেন।
দীর্ঘ ৪৫ মিনিট যাবৎ তাকে গোলঘরে জিজ্ঞাসাবাদের পর ছেড়ে দেয়া হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে আন্দোলনকারী এক শিক্ষার্থী নয়া দিগন্তকে বলেন, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশেই ইয়ামিনকে ধরে আনা হয়। তাদের উদ্দেশ্য ছিলো শিক্ষার্থীদের ভয় দেখিয়ে চলমান আন্দোলনকে পণ্ড করা। এর আগেও কোটা সংস্কার চেয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাস দেয়াকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন জনকে হুমকি-ধমকি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় ও কেন্দ্রের ছাত্রলীগের প্রথম সারির নেতারা।
এ শিক্ষর্থীকে ধরে আনার বিষয়ে জানতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুর রহমানকে একাধিকবার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি। আর সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন ফোন রিসিভ করেননি।




