বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসংবলিত স্মার্টফোন

সময়ের পরিক্রমায় মোবাইল ডিভাইসের উপস্থিতি মানুষের যোগাযোগের ধরন বদলে দিয়েছে। বিশেষ করে স্মার্টফোন আমাদের যোগাযোগ সুবিধায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। প্রতিনিয়ত মোবাইল ফোনভিত্তিক যোগাযোগকে আরো বিস্তৃত ও অর্থবহ করে তুলেছে স্মার্টফোন। তবে নতুন প্রযুক্তির উন্নয়নের জন্য আবেদন হারাতে শুরু করেছে স্মার্টফোন। এরপরে কথোপকথনের জন্য স্মার্টফোনের পর নতুন কি আসছে। বলা হচ্ছে স্মার্টফোনের দিন শেষ, সময় এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসংবলিত ফোনের।
বিশ্লেষকদের তথ্যমতে, স্মার্ট মানেই বুদ্ধিমান নয়, কিন্তু বুদ্ধিমান সবসময় স্মার্ট। ১৯৯৪ সালের দিকে আসে মোবাইল ফোনের উন্নত সংস্করণ স্মার্টফোন। মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুধু কথোপকথনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। এর সাথে যুক্ত হয়েছে অ্যাপভিত্তিক বিভিন্ন সেবা যেমন ই-মেইল আদান-প্রদান, ফটো ও ভিডিও ধারণ, মুভি দেখা থেকে শুরু করে ইন্টারনেট ব্রাউজিং ও কম্পিউটিং সুবিধা।
বর্তমানে স্মার্টফোনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি আনতে কাজ করছে ডিভাইস নির্মাতারা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কীভাবে স্ট্যান্ড-অ্যালন প্রযুক্তি হিসেবে স্মার্টফোনে ব্যবহার করা এবং তা কীভাবে আরো গ্রাহকবান্ধব করা যায়, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এআই স্মার্টফোনকে সুপার বা এক্সট্রা স্মার্ট করে তুলবে। তবে স্মার্টফোনকে প্রকৃত বুদ্ধিমান করে তুলতে আরো অনেক কিছু করতে হবে। ভবিষ্যতে এআই স্মার্টফোন ডিভাইসের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button