sliderস্থানিয়

কুড়িগ্রামে যুবশক্তির মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা, মাদক-চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের ঘোষণা

কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা: জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর অঙ্গসংগঠন জেলা যুবশক্তির নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটির পরিচিতি এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে কুড়িগ্রাম জেলা শহরে বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে জেলা শহরের জুলাই স্মৃতি স্তম্ভ চত্বর থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। শোভাযাত্রা শেষে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরাও উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক এম মাসুদুর রহমান মাসুদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব তারিকুজ্জামান তমাল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ সাগর, দপ্তর সম্পাদক তারেক খান মজলিস তারা, যুগ্ম সম্পাদক শহিদুল ইসলামসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

সভাপতির বক্তব্যে এম মাসুদুর রহমান মাসুদ বলেন, “আমাদের সংগঠনের মূল লক্ষ্য জনকল্যাণে কাজ করা। মাদক, চাঁদাবাজি এবং সব ধরনের অসামাজিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে যুবশক্তি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের সংগঠনে কোনো স্থান নেই।”
সদস্য সচিব তারিকুজ্জামান তমাল বলেন, “প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিটিকে সর্বদা সজাগ থাকতে হবে। তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনাই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য। কোনো নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি বা অপরাধীর যুবশক্তিতে স্থান হবে না।”

বক্তারা বলেন, তরুণদের শক্তিকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগিয়ে কুড়িগ্রামের সামাজিক উন্নয়ন, মানবিক কর্মকাণ্ড এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমকে আরও বেগবান করাই নবগঠিত কমিটির অন্যতম লক্ষ্য। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই শোভাযাত্রার মাধ্যমে প্রদর্শিত ঐক্য, উদ্দীপনা ও সাংগঠনিক শক্তি আগামী দিনে সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও সুসংগঠিত ও কার্যকর ভূমিকা রাখতে সহায়তা করবে।
সমাবেশে নেতৃবৃন্দ সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ও সমাবেশকে ঘিরে জেলা শহরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button