খেলা

কাশ্মীর নিয়ে আফ্রিদি-গম্ভির যুদ্ধ

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যেকার কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিবাদে জড়িয়ে পড়েছেন দু’দেশের দুই ক্রিকেটার শাহিদ আফ্রিদি এবং গৌতম গম্ভির।
সাবেক পাকিস্তান অধিনায়ক আফ্রিদি মঙ্গলবার টুইট করেন : “ভারত-অধিকৃত কাশ্মীরের পরিস্থিতি ভয়াবহ ও উদ্বেগজনক।”
জবাবে সাবেক ভারতীয় ওপেনার গৌতম গম্ভীর টুইট করেন, “আফ্রিদির অভিধান জড়বুদ্ধিগ্রস্ত।”

আফ্রিদির টুইট

গত ৬০ বছর ধরেই পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনা চলছে এবং দেশ দুটির মধ্যে এ নিয়ে দু’বার যুদ্ধ হয়েছে। গত রোববার ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের শ্রীনগরে বন্দুকযুদ্ধে তিনজন ভারতীয় সৈন্য এবং ১৩ জন সন্দেহভাজন বন্দুকধারী নিহত হয়। এর পর বিক্ষোভ ও সংঘর্ষে চারজন বেসামরিক লোক নিহত এবং অন্তত ২০০ জন আহত হয়।
আফ্রিদি আর গম্ভীরের মধ্যে এই বাকযুদ্ধ শুরু হয় এ ঘটনার পরই – যখন আফ্রিদি ভারতকে এবং ‘নিপীড়ক শাসকচক্র’ বলে আখ্যায়িত করেন, এবং ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে জাতিসঙ্ঘের হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান।
তিনি লেখেন, কাশ্মীরের নিরপরাধ লোকেরা নিপীড়ক শাসকচক্রের গুলিতে নিহত হচ্ছে, আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার এবং স্বাধীনতার কণ্ঠ রোধ হচ্ছে।
গম্ভীরের টুইট

এর পর গৌতম গম্ভীর কাশ্মীরের পরিস্থিতি সম্পর্কে আফ্রিদির মূল্যায়নকে প্রত্যাখ্যান করে লেখেন, “লোকে বলছে আমাকে প্রতিক্রিয়া জানাতে । কী আর বলবো? আফ্রিদি শুধু ইউএন-কে খুঁজছে, তার জড়বুদ্ধিসম্পন্ন অভিধানে যার অর্থ হচ্ছে অনুর্ধ-১৯।” তিনি আরো লেখেন, সংবাদ নিশ্চিন্তে থাকুন, আফ্রিদি নো-বলে উইকেট নিয়ে উল্লাস করছে।”
আফ্রিদির দ্বিতীয় টুইট

জবাবে আফ্রিদি আরেকটি টুইট করেন একটি ছবি দিয়ে – যাতে তাকে ভারতীয় ক্রিকেট ভক্তদের সাথে দেখা যাচ্ছে।
এতে তিনি লেখেন “আমরা সবাইকে সম্মান করি, এটাই খেলোয়াড়দের করা উচিত। কিন্তু মানবাধিকারের কথা উঠলে আমরা নিরপরাধ কাশ্মীরীদের জন্য সেই সম্মানই প্রত্যাশা করি।”
কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে শুধু যে আফ্রিদিই কথা বলেছেন তাই নয় – টুইট করেছেন ইমরান খানও – যিনি পাকিস্তানের ক্রিকেট বিশ্বকাপজয়ী সাবেক অধিনায়ক এবং এখন রাজনীতিবিদ।
ইমরান খানের টুইট কাশ্মীর নিয়ে

ইমরান খানও ‘ভারতীয় বাহিনীর বর্বরতার নিন্দা করে’ জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
১৯৮০ সাল থেকে ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে সহিংসতা চলছে এবং তাতে হাজার হাজার লোক নিহত হয়েছে।
বিবিসি

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button