Uncategorized

কামারের বাড়ী ও দোকানগুলোতে টুং টাং শব্দের মাঝে শিল্পীরা

আবু বক্কার : নওগাঁ সাপাহারে পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে কামারের বাড়ী ও দোকানগুলোতে টুং টাং আগের মত নেয় ব্যস্ত সময়,এ বিষয়ে জানতে চাইলে দিলীপ কর্মকার ৩৭ বছর যাবৎ এই কাজ করে আসতেছি কিন্তু মহামারী করোনার কারণে হয়তোবা আমাদের কাজকর্ম একটু কম আশা করছি হাতে আরো কিছুদিন সময় আছে কাজ হয়তো বাড়তে পারে কামার শিল্পীরা জানায়।
জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন বাজারের সবকটি কামারের দোকানে চলছে কোরবানির পশু জবাই, মাংস কাটা এবং চামড়া ছিলানোর কাজে ব্যবহৃত চাপাতি, দা, ছুরি, বঁটি তৈরির কাজ।
ভুক্তভোগীদের চাহিদা মত পণ্য তৈরি করতে শিল্পীরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তারা,নিজ হাতে লোহা পিটিয়ে টুং টাং শব্দে মুখর করে তুলেছেন প্রতিটি কামারের দোকান।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে,দিনক্ষণ যতই ঘনিয়ে আসছে ততই তাদের ব্যস্ততা দিনদিন বেড়েই চলছে। ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে উপজেলার সবকটি কামারের দোকানের কামার শিল্পীরা ,নিজেদের তৈরি এসব পণ্য উপজেলার বিভিন্ন হাটে সরবরাহ করে জীবিকা নির্বাহ করেন তারা ,বছরের অন্য সময়ের চেয়ে কোরবানির সময়টাতে কাজের চাপ অনেক বেড়ে যায় কামার শিল্পীদের। সেই সঙ্গে বেড়ে যায় তাদের আয় রোজগারও, বছরের অন্যান্য সময় কামারদের দুর্দিন থাকলেও ঈদ আসলেই যেন তারা সুদিনের দেখা পান। কিন্তু করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ায় অন্য বছরের তুলনায় এবার ঈদে কাজের চাপ একটু কম। কোনোরকম সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়াই পৈতৃক পেশা হিসেবে কামার শিল্পীরা তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন নিরলসভাবে।
তবে করোনা ভাইরাস দেখা দেয়ায় আগের মতো আমাদের তেমন ব্যস্ততা নেই বল্লেই চলে। গত বছর কুরবানী ঈদে এই সময়টাতে খাওয়া-দাওয়া করার সময় পাইনি কিন্তু এবার তেমন তোড়জোড় নেই। এছাড়া ঈদ মৌসুম ছাড়া চাপাতি, দা, ছুরি, বঁটি বিক্রি হয় না বলেই সারা বছর কষ্টের মধ্যে জীবন যাপন করতে হয়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button