কটিয়াদীতে রমজানকে কেন্দ্র করে খাদ্য সামগ্রীর মূল্য লাগামহীন

রতন ঘোষ,কটিয়াদী প্রতিনিধি: রমজানকে কেন্দ্র করে কটিয়াদী উপজেলাজুড়ে লেবু, বাঙ্গি, কলা, তরমুজ, চিনি,ইসব ভূষি, ছোলাও দুধের মূল্য চড়া। ইফতারে শরবত তৈরিতে লেবু, ইসব, তরমুজ ও বাঙ্গির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কিন্তু এই গুলোর জিনিসের দাম বেড়ে গেছে। এতে রোজাদারদের বিপাকে পড়তে হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এর যোগান কম।
চাহিদামতো মিলছে না। এজন্য দাম বেশি। শাকসবজির মূল্যও লাগামহীন। বাহিরের খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ না থাকায় স্থানীয় শাকসবজি ও অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য চড়া মূল্যে বিক্রি করছে ব্যবসায়ীরা।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পৌর সদর সবজি মহলে এক হালি লেবুর দাম ১০০ বা কাজি লেবুর মূল্য ১২০ টাকা। তবে এলাচি লেবু ও সীডলেচ লেবুর হালি ৪০ থেকে ৬০, তরমুজ কেজি ৮০ টাকা আর প্রতিটি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৪00-500 টাকায়। সবরি কলা ১ হালি ৭০-৮০ টাকা এবং গেরাকলা ৪৫-৫০ টাকা। দুধ প্রতি লিটার ১৩০-১৪০ টাকা । গত বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের নদীর বাঁধ বৃহৎ পাইকারি কাঁচাবাজারে গিয়ে দেখা যায়,বাইরের লেবুর আমদানি কম। কৃষকেরা যা লেবু নিয়ে এনেছেন তা চড়া দামে বিক্রি করেছেন। এ বছর আড়িয়াল খাঁ নদীর চর অঞ্চলে বাঙ্গি চাষ কম হয়েছে। কিছু কৃষক চাষ করেছেন। চাহিদা থাকার ফলে তারাও বেশি দামে বিক্রি করছেন।
চরপুক্ষিয়া গ্রামের চাষি জহির মিয়া বলেন, ১ বিঘা জমিতে বাঙ্গি চাষাবাদ করেছি। বাজারে চাহিদা বেশি থাকায় দাম ভালো পাচ্ছি। এখনো যে চাহিদা রয়েছে সে অনুযায়ী অনেক বিক্রি করতে পারব। খুচরা বিক্রেতা আৰু হানিফ বলেন, লেবু ১০০ টাকা হালি দরে ক্রয় করেছি। ১২টি লেবু ৩০০ টাকা দিয়ে কিনেছি। বাজারে বিভিন্ন জাতের নেৰু ৩০ থেকে ৪০ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে। কাগজি লেবু সচরাচর চোখে পড়ে না। এছাড়া শরবতে সবরকম লেবুর চাহিদা বেশি থাকায় বাজারে নেৰু পাওয়া যায় না বলে দাম বেশি। কটিয়াদী বাসস্ট্যান্ড এলাকার তরমুজ বিক্রেতা সোহেল মিয়া জানান, এখন তরমুজ চাষের পুরো মৌসুম নয়। আগাম জাতের তরমুজগুলো আমাদের বেশি দামে কিনতে হয়েছে। তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্চে।




