
রতন ঘোষ, কটিয়াদী প্রতিনিধি : কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার চান্দ্পুর ইউনিয়নের মদিনাছ পাড়ার তানজিনা বেগম তিনটি সন্তান নিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। তার সংসারে সে ব্যতীত আর কোন উপার্জন যোগ্য ব্যক্তি নেই। তার ইচ্ছা ছিল নিজে কাজ করে স্বাবলম্বী হওয়ার। কিন্তু তার ইচ্ছা বাস্তবায়নে নিজস্ব কোন সামর্থ্য ছিল না। এ অবস্থায় কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আফরোজ মারলিজের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তানজিনা। তার এই অসহায়ত্বের কথা জানতে পেরে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন উপজেলা প্রশাসন। ২৫ আগস্ট কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা আফরোজ মারলিজ তার কার্যালয়ে অসহায় তানজিনার হাতে একটি সেলাই মেশিন তুলে দেন।
সেলাই মেশিন পেয়ে তানজিনা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সংসার চালাতে খুবই কষ্ট হচ্ছিল, নিজের পায়ে দাঁড়ানোর কথা বিবেচনা করে নির্বাহী অফিসার মহোদয়ের সহযোগিতা চেয়েছিলাম। সেই সেলাই মেশিন পেয়ে কাজ করে এখন আমার সন্তানদের জন্য কিছু করতে পারবো বলে আশা করছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা আফরোজ মারলিজ বলেন, তানজিনা তার পরিবারের অসচ্ছলতার কথা জানিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য সহযোগিতা চেয়েছিলেন। তার তিনটি ছোট ছোট সন্তান রয়েছে এবং পরিবারের উপার্জন যোগ্য কেউ না থাকায় তিনি বেশ সমস্যার মধ্যে ছিলেন, তাই তাকে এমন একটি উপহার দেওয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। যার মাধ্যমে তিনি নিজে কাজ করে, আয় করতে পারবেন। আমরা চাই সেলাই কাজের মাধ্যমে তিনি যেন ধীরে ধীরে, স্বাবলম্বী হয়ে উঠেন এবং সন্তানদের উপযুক্ত করে তুলতে পারেন। সমাজের অসহায় ও পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো উপজেলা প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব। আমারা আমাদের সাধ্যঅনুযায়ী এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবো।




