এক তরুণের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গল্প…

ভিরার থেকে মাউন্ট মাউনগানুইতে বিশ্বকাপ জয়! মুম্বইয়ের সাধারণ এক তরুণের বিশ্বসেরা হয়ে ওঠার গল্প। দেশে পা-রেখেই আবেগে ভাসলেন ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক পৃথ্বী শ।
সোমবার দেশে ফিরে কোচ রাহুল দ্রাবিড়কে পাশে নিয়ে প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনে শুরুর লড়াইয়ের দিনগুলোর কথা জানান যুবা অধিনায়ক। বলেন, ‘বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক হওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করার মত শব্দ আমার কাছে নেই। তবে এই পথটা মোটেই সহজ ছিল না। ভিরার থেকে আমার পথ চলা শুরু হয়েছিল। আমার এই সাফল্যের পিছনে বাবার অবদান অপরিসীম। প্রতিদিন আমাকে নিয়ে ট্রেনে করে প্র্যাকটিস করাতে আসতেন, যা বাড়ি ভিরার থেকে অনেকটাই দূর। ভিড়ের মধ্যে ট্রেনে করে ঘণ্টা দুয়েক জার্নি করা সহজ ছিল না। তার পর ঘণ্টা তিনেক অনুশীলন করতাম।’
মুম্বাইয়ের কাছে পলগর জেলার একটি শহর ভিরার। সেখান থেকে প্রথম স্কুল ক্রিকেটে সচিন টেন্ডুলোরকে ছাপিয়ে গিয়ে সাড়া ফেলে দেয়া। তার পর অনূর্ধ্ব-১৯ অধিনায়ক হিসেবে দেশকে বিশ্বকাপ এনে দেয়া। পৃথ্বী বলেন, ‘৭-৮ বছর থেকে স্কুল ক্রিকেট খেলছি। নিয়মিত রান করতাম। স্কুলের কোচ থেকে রাহুল দ্রাবিড় স্যারের কাছে শেখার অভিজ্ঞতা দারুণ।’
সেমিফাইনাল পাকিস্তান ও ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চতুর্থবার অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জিতে ‘বয়েজ ইন ব্লু’। টুর্নামেন্টে কোনো ম্যাচ হারেনি পৃথ্বীর নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল। মহম্মদ কাইফ (২০০০), বিরাট কোহলি(২০০৮), উন্মুক্ত চাঁদের(২০১২) পর ভিরারের এই আঠারো বছরের তরুণের হাত ধরে চতুর্থবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত।



