ইরানের কাছে বিমান বিক্রিতে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন

ইরানের কাছে যাত্রীবাহী বোয়িং বিমান বিক্রির জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে প্রাথমিক অনুমোদন পেয়েছে বলে জানিয়েছে বিমান নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস। এরই মধ্যে ইরানের সঙ্গে ২,৫০০ কোটি ডলারের একটি চুক্তিও করেছে ইউরোপের এই বিমান নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানটি।
ওই চুক্তির আওতায় এয়ারবাস ইরানকে ১৭টি এ-৩২০ এবং এ-৩৩০ বিমান সরবরাহ করবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির মুখপাত্র জাস্টিন ডাবন।
এছাড়া আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে চুক্তির বাকি বিমানগুলো ইরানকে সরবরাহের জন্য পরবর্তী অনুমোদনও পাওয়া যাবে বলে আশা করছে কোম্পানিটি। চুক্তি অনুযায়ী এয়ারবাস কোম্পানি থেকে ইরান মোট ১১৮টি বিমান কিনবে।
এর আগে প্রথমবারের মতো ইরানের নাফ্ত এয়ারলাইন্সে একটি বোয়িং জেট বিমান যুক্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। ছয় জাতি গোষ্ঠীর সাথে পরমাণু ইস্যুতে চূড়ান্ত সমঝোতা সই হওয়ার পর এটি সম্ভব হয়।
নাফ্ত এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল্লাহ রেজায়ি নিয়ারাকি জানান, পরমাণু সমঝোতা চুক্তি সই হওয়ার পর মার্কিন বিমান কোম্পানির কাছ থেকে চারটি ৭৩৭ বিমান কেনার বিষয়ে একটি চুক্তি হয়েছিলো। সেই চারটির মধ্যে একটি গত রোববার পাওয়া যায়। ইতোমধ্যে বোয়িংটি রোববারই বিকেল ৫টায় তেহরান থেকে আহভাজের উদ্দেশ্যে তাদের প্রথম ফ্লাইট পরিচালনা করে।
শানা নিউজ নামে একটি সংবাদ মাধ্যমকে নুরুল্লাহ রেজায়ি জানান, আগামী ২১ মার্চের মধ্যে বাকি তিনটি বোয়িং বিমান নাফ্ত এয়ারলাইন্সের বহরে যোগ হবে।
এছাড়া দেশটির কয়েকটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, নতুন যোগ হওয়া এই বোয়িংয়ে ১৪৮ জন যাত্রী বহন করা যাবে। তবে এটি ইরানকে লিজ দেওয়া হয়েছে বলে জানায় সংবাদমাধ্যমগুলো। এছাড়া বিমানটি সম্পূর্ণ নতুন বিমান কিনা সে সম্পর্কেও নিশ্চিত নয় কেউ।
উল্লেখ্য, ছয় জাতি গোষ্ঠীর সাথে পরমাণু ইস্যুতে চূড়ান্ত সমঝোতা সই হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের একটি বোয়িং কোম্পানির সাথে একটি চুক্তি করে ইরান। ওই চুক্তির আওতায় তেহরানের কাছে ৮০টি বিমান বিক্রি করবে কোম্পানিটি। এছাড়া ২৯টি বিমান লিজ দেওয়ার কথাও বলা হয় ওই চুক্তিতে। কিন্তু মার্কিন কংগ্রেস ওই কোম্পানির বিরোধিতা করলে চুক্তি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নিয়ে সন্দেহ দেখা দেয়।




