ইংল্যান্ডকে টি-টোয়েন্টি শেখালো ভারত

ফুটবল বিশ্বকাপে টাইব্রেকারে জিতে শেষ আটে পৌঁছে গেছে ইংল্যান্ড। এই আনন্দটা উপভোগ করার সুযোগই পেলো না তারা। কারণ ভারত যে ইংল্যান্ডের ক্রিকেট দলকে প্রথম ম্যাচেই শিখিয়ে দিলো টি-টোয়েন্টি কাকে বলে!
মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে সীমিত ওভারের ক্রিকেটের দুই রোমাঞ্চকর দলের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। সিরিজের প্রথম ম্যাচে বলে-ব্যাটে ভারত ছিলো অপ্রতিরোধ্য। যার সামনে স্রেফ উড়ে গেছে স্বাগতিকরা। সিরিজের প্রথম ম্যাচটা তারা হেরেছে আট উইকেটের বিশাল ব্যবধানে।
ম্যাচের প্রথম ইনিংসের শুরুতে ঝড়ের আভাস দেন ইংলিশ ব্যাটসম্যানরা। ওল্ড ট্রাফোর্ডে রানবন্যারই ইঙ্গিত ছিলো তাতে। কিন্তু কুলদিপ যাদবের বোলিংয়ের কোনো উত্তর ছিলো না ইংলিশদের কাছে। ২৪ রানে পাঁচ উইকেট নিয়ে ইংলিশদের ব্যাটিং-সম্ভাবনা শেষ করে দেন তিনি।
জ্যাসন রয় ও জস বাটলার পাঁচ ওভারে ৫০ রান করে যে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, তা শেষ করে দেন যাদব। জস বাটলার ৬৯ রান করলেও, জ্যাসন ফেরেন ৩০ করে। তাদের হয়ে দুই অঙ্ক ছুঁয়েছেন আর মাত্র একজন ব্যাটসম্যান। শেষ পর্যন্ত আট উইকেটে ১৫৮ রান করে ইংল্যান্ড।
জবাব দিতে নেমে সাত রানেই শেখর ধাওয়ানকে হারায় ভারত। ডেভিড উইলির বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন ভারতীয় ওপেনার। কিন্তু ভারতের তাতে কিছুই হয়নি। পরের জুটিতে রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুল ম্যাচ নিয়ে যান ১৩০ রানে।
রোহিত অবশ্য ম্যাচটা শেষ করে যেতে পারেননি। ৩২ রান করেন তিনি। পরে বিরাট কোহলি ২২ বলে ২০ রান করে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। ভারতকে ম্যাচটা জেতান মূলত কুলদিপ ও লোকেশ রাহুল। কুলদিপ নেন পাঁচ উইকেট আর লোকেশ করেন তার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি। ১০১ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি।
বল হাতে সুবিধা করতে পারেননি ইংল্যান্ডের কেউ। একটি করে উইকেট পেয়েছেন ডেভিড উইলি ও আদিল রশিদ। কিন্তু রান আটকে রাখতে মোটেই সুবিধা করতে পারেননি তিনি। পুরো চার ওভার শেষ করে ইংলিশদের হয়ে সবচেয়ে বেশি রান খরচ করেন লিয়াম প্লাঙ্কেট। চার ওভারে ৪২ রান দেন তিনি। দুই ওভার দুই বলে ৩৭ রান দেন মঈন আলি।
দিন কয়েক আগে অস্ট্রেলিয়াকে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করেছে ইংলিশরা। কিন্তু ভারতের বিপক্ষে যে ওই ফর্ম বজায় রাখা সহজ হবে না, ইংলিশরা তা টের পেয়ে গেলো টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচেই। এই সিরিজের বাকি দুই ম্যাচ এবং এরপর ওয়ানডে ও টেস্ট সিরিজে হিসেব করেই খেলতে হবে স্বাগতিকদের।




