আবারো মিসরীয় তারকা সালাহর চমক

তারকা স্ট্রাইকার মোহাম্মদ সালাহর আরেকটি দুর্দান্ত পারফরমেন্সে চ্যাম্পিয়নস লীগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে ঘরের মাঠ এ্যানফিল্ডে ম্যানচেস্টার সিটিকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে লিভারপুর।
প্রথম লেগের অল-ইংল্যান্ড এই লড়াইয়ে গোলের বন্যা বয়ে যাবে এটা অনেকটা প্রত্যাশিতই ছিল। তবে প্রিমিয়ার লীগের অনেকটা নিশ্চিত চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে জার্গেন ক্লপের দল যে এভাবে একচেটিয়া জয় তুলে নিবে তা ছিল আশাতীত। ১২ মিনিটে মিসরীয় তারকা সালাহর গোল দিয়ে শুরু। এটি ছিল মৌসুমে তার ৩৮তম ও চ্যাম্পিয়নস লীগে সপ্তম। এরপর একেএকে এ্যালেক্স অক্সালেড-চেম্বারলেইন ও সাদিও মানের দুই গোলে প্রথমার্ধেই লিভারপুলের জয় নিশ্চিত হয়ে যায়। তৃতীয় গোলটিও সালাহর অবদান ছিল। তার ক্রসেই মানে হেড দিয়ে দলকে তৃতীয় গোল উপহার দেন।
প্রথমার্ধের উজ্জীবিত লিভারপুলকে অবশ্য দ্বিতীয়ার্ধে দেখা যায়নি। এর কারণ হতে পারে সালাহর অনুপস্থিতি। কুঁচকির ইনজুরিতে আক্রান্ত হয়ে ৫৩ মিনিটে মাঠ ছাড়ে এই মিসরীয় তারকা। আগামী সপ্তাহে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচের আগে ক্লাবের সর্বোচ্চ গোলদাতার ফিটনেস নিয়ে চিন্তিত হতেই পারেন ক্লপ। এছাড়াও জর্ডান হেন্ডারসন নিষেধাজ্ঞার কারণে পরবর্তী ম্যাচ খেলতে পারবেন না। তারপরেও পেপ গার্দিওলার দলের বিপক্ষে ১৩ মোকাবেলায় ষষ্ঠ জয় লিভারপুলকে শেষ চারের পথে অনেকটাই এগিয়ে দিয়েছে।
সিটি ম্যানেজার মধ্যমাঠে ইকে গুনডোগানের ওপরই আস্থা রেখেছিলেন। যে কারণে সাবেক ক্লাবের বিপক্ষে ম্যাচ শুরু করতে পারেননি রাহিম স্টার্লিং। বিরতির পরে অবশ্য স্টার্লিং নেমেছিলেন। দুই ইংলিশ জায়ান্টের দ্বৈরথে সব আকর্ষণ অবশ্য কেড়ে নেয় ১২ মিনিটে সালাহর গোল। ডানদিক থেকে ফারমিনোর সহায়তায় সালাহ দারুণ এক গোলে লিভারপুলকে এগিয়ে দেন। পর মুহূর্তেই সিটির ম্যাচে ফিরে আসার সুযোগ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু লিওরে সানে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। তার বাম পায়ের শট জালের ঠিকানা খুঁজে পায়নি। সিটির এই সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার সুযোগে স্বাগতিক লিভারপুল বিরতির আগেই আরো দুই গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করে।
অক্সালেড-চেম্বারলেইনের ডান পায়ের জোড়ালো শটে ২০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। মৌসুমের শুরুতে এই সিটিজেনদের বিপক্ষেই এ্যানফিল্ডে দূর পাল্লার গোলটির থেকেও কাল অক্সালেড-চেম্বারলেইনের গোলটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ৩১ মিনিটে সালাহর ক্রস থেকে মানের হেড দলকে তৃতীয় গোল এনে দেয়। এডারসন ডাইভ দিয়েও বলটি ধরতে ব্যর্থ হন।




