রংপুর নগরীতে ৪৮ ঘণ্টার আগেই কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ

রংপুর প্রতিনিধি : রংপুর নগরীর ৩৩ টি ওয়ার্ড থেকে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ ৪৮ ঘণ্টার আগেই সম্পন্ন করেছে রংপুর সিটি কর্পোরেশন। নগরবাসীর সহায়তায় সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় বর্জ্য অপসারণ সম্ভব হয়েছে বলে জানান প্যানেল মেয়র মাহমুদুর রহমান টিটু। এজন্য তিনি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
রংপুর সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র মাহমুদুর রহমান টিটু সোমবার দুপুরে সাংবাদিকদের বলেন, বর্জ্য অপসারণে আমাদের সময়সীমা ছিল ৪৮ ঘণ্টা। কিন্তু আমরা ২৪ ঘণ্টার টার্গেট নিয়ে কাজ করেছি। ঈদের সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রায় ২০০ টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। এর জন্য সিটি কর্পোরেশনের ১২০ টি ট্রলি, রিকশাভ্যান ও ২৫টি ট্রাক নিয়ে মাঠে নিরলস কাজ করেছে এক হাজার ৩৭ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী। প্যানেল মেয়র বলেন, কোরবানির পশুর বর্জ্য থেকে যাতে দুর্গন্ধ না ছড়ায় সেজন্য নগরীর রাস্তায় রাস্তায় ও অলিগলিসহ পশু জবাই করে রাখা স্থানগুলোতে পর্যাপ্ত ব্লিচিং পাউডার ছিটানো হয়েছে। ঈদের দিনে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বর্জ্য সংগ্রহ করেছে। এছাড়াও ঈদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনেও বর্জ্য অপসারণে কর্মীরা কাজ করেছে। তিনি বলেন, কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণে নগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডকে তিনটি জোনে ভাগ করা হয়েছিল।
সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত স্থানে অধিকাংশ পশু জবাই হয়নি স্বীকার করে তিনি বলেন, স্বল্প সংখ্যায় হলেও নির্দিষ্ট স্থানে পশু জবাইয়ের যে রীতি চালু হয়েছে আগামীতে নগরবাসী তাতে অভ্যস্ত হবে বলে আশা করছি।
উল্লেখ্য- ঈদের দিন দুপুরে নগরীর শাপলা চত্বরে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্যানেল মেয়র মাহমুদুর রহমান টিটু। এসময় রসিকের সচিব রাশেদুল ইসলাম, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও কাউন্সিলর মাহবুবার রহমান মঞ্জু, কাউন্সিলর সেকেন্দার আলী, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রধান মিজানুর রহমান মিজু উপস্থিত ছিলেন।




