
পতাকা ডেস্ক: জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর, অভিনেত্রী ও চিত্রনাট্যকার কারিনা কায়সারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)।
আজ এক যৌথ শোকবার্তায় এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু এবং সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, কারিনা কায়সার ছিলেন সাহসী, সচেতন ও সমাজমনস্ক এক সাংস্কৃতিক কণ্ঠস্বর। নিজের কনটেন্টের মাধ্যমে তিনি সমাজের নারীবিদ্বেষ, শরীর নিয়ে কটূক্তি এবং সামাজিক বৈষম্যকে ব্যঙ্গাত্মক ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে তুলে ধরতেন। তাঁর সৃজনশীলতা, বুদ্ধিমত্তা ও সমাজ-সচেতন উপস্থিতি তরুণ প্রজন্মকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।
নেতৃদ্বয় বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামে তাঁর দৃঢ় অবস্থান আমাদের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি কেবল একজন সংস্কৃতিকর্মীই ছিলেন না, বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে নৈতিক অবস্থান গ্রহণকারী এক সাহসী কণ্ঠস্বর ছিলেন। কঠিন ও দমনমূলক সময়েও তিনি গণমানুষের পক্ষে অবস্থান নিয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিরোধকে আন্দোলনের শক্তিশালী অংশে পরিণত করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
তারা আরও বলেন, ঘৃণার চেয়ে কারিনা অনেক বড় ছিলেন। অসুস্থতার সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু নেতিবাচক মন্তব্যের সমালোচনা করে তারা বলেন, মানবিকতা ও সহমর্মিতার চর্চাই একটি সভ্য সমাজের পরিচয়।
উল্লেখ্য, ভারতের ভেলোরের খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (১৫ মে) কারিনা কায়সার মৃত্যুবরণ করেন ( ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন) । হেপাটাইটিস এ ও ই-জনিত জটিলতায় তাঁর লিভার ফেইলিউর হয়েছিল। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে চেন্নাই নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
এবি পার্টির নেতৃদ্বয় মরহুমার রূহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং মহান আল্লাহর কাছে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করার দোয়া করেন। একইসঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবার, সহযোদ্ধা ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।



