
দুর্নীতি-অনিয়মে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, চোর ধরেও যেন আমরা চোর হয়ে যাচ্ছি।
সংসদে বিরোধী দলের সদস্যদের সমালোচনার জবাবে বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তৃতায় বৃহস্পতিবার তিনি এ কথা বলেন।
রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মোহাম্মদ সাহেদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্টতা এবং স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতির বিষয়গুলো নিয়ে সমালোচনা করেন বিরোধী দলের সদস্যরা।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কে কোন দলের সেটা বড় কথা না। কে এ ধরনের দুর্নীতি, অনিয়মের সঙ্গে জড়িত- আমরা যাকেই পাচ্ছি, যেখানেই পাচ্ছি ধরছি।’
তিনি বলেন, ‘আর ধরছি বলেই যেন আমরা চোর ধরে চোর হয়ে যাচ্ছি। আমরাই ধরি আবার আমাদেরকেই দোষারোপ করা হয়। এটাই হলো দুর্ভাগ্য।’
ডাক্তার, নার্স ও টেকনেশিয়ানদের থাকা-খাওয়াসহ সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সেখানে খরচ তো হবেই। হ্যাঁ, এসব কাজ করতে গেলে বাংলাদেশের মানুষের চরিত্র নষ্ট করে দিয়ে গিয়েছে পঁচাত্তরের পর যারা রাতের অন্ধকারে অস্ত্র হাতে নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল তারাই।’
‘কারণ অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে সেই ক্ষমতা কুক্ষিগত করবার জন্য এরা মানুষকে দুর্নীতি শিখিয়েছে, কালোটাকা শিখিয়েছে, ঋণখেলাপ শিখিয়েছে, তারা সমাজকে কলুষিত করে দিয়ে গেছে’ যোগ করেন তিনি।
সমালোকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের তো অনেক রাজনৈতিক দল আছে। সমালোচনা অনেকেই করে যাচ্ছেন। এমনকি বহু এনজিও, অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। ঠিক বর্তমানে কতজনকে চোখে পড়ে যারা কাজ করছে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে? সেটাই আমার প্রশ্ন।
তিনি বলেন, ‘ঘরে বসে সমালোচনা, বাজেটের খুঁত ধরা, কাজের খুঁত ধরা সেগুলো অনেকেই ধরতে পারেন, এটা ঠিক।’
প্রধানমন্ত্রীর সমাপনী বক্তব্যের মধ্যদিয়ে একাদশ জাতীয় সংসদের অষ্টম (দ্বিতীয় বাজেট)অধিবেশন আজ শেষ হয়েছে।
সুত্র : দেশ রূপান্তর




