দুর্নীতিশিরোনাম

এমপি দুর্জয়ের হাতে আলাদিনের চেরাগ

ছিলেন একজন ক্রিকেটার। এমপি হওয়ার পর অদৃশ্য জাদুর ছোঁয়ায় সেই নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের হাতে চলে আসে আলাদিনের চেরাগ। রাতারাতি গড়ে ওঠে অঢেল সম্পদ আর প্রাচুর্য। পাঁচ বছরে তার আয় বেড়েছে আট গুণ। বার্ষিক আয় মাত্র ৫ লাখ থেকে বেড়ে হয়েছে অর্ধকোটি টাকা। শূন্য হাতে এমপি হয়ে এখন বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালিক তিনি। ঘুরে বেড়ান বিলাসবহুল গাড়িতে। গড়ে তুলেছেন নামে-বেনামে সম্পদের পাহাড়। দশম ও একাদশ সংসদ নির্বাচনে তার জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে এমন চমকপ্রদ তথ্য মিলেছে।
হলফনামা অনুসারে, মানিকগঞ্জ-১ আসনের এমপি দুর্জয় এইচএসসি পাস। বিগত দুই নির্বাচনে পেশা দেখিয়েছেন ব্যবসা। তবে দশম সংসদ নির্বাচনের সময় তার কোনো ব্যবসায়িক মূলধন ছিল না। নামকাওয়াস্তে ছিলেন চেজ ট্রেডিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ফুওয়াং ফুড অ্যান্ড বেভারেজের পরিচালক। নির্বাচনের পর এখন তিনি চেজ পাওয়ার লিমিটেডের পরিচালক। প্রশ্ন উঠেছে, এমপি হওয়ার পর অদৃশ্য জাদুর ছোঁয়ায় নাঈমুর রহমান দুর্জয় পাওয়ার প্লান্টের মালিক কীভাবে হলেন? কীভাবে তিনি রাতারাতি গড়ে তুললেন অঢেল সম্পদ আর প্রাচুর্য। কীভাবে গড়ে তুললেন মালয়েশিয়ায় নানা রকম ব্যবসা-বাণিজ্য। এসব নিয়ে তার নির্বাচনী এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা মানুষের মুখে মুখে। এ ছাড়া স্ত্রী, চাচা এবং পারিবারিকভাবে সম্পর্কিত অন্যান্য ব্যক্তিবর্গের নামে-বেনামে অবৈধ সম্পদ গড়েছেন তিনি। এমনকি হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দশম সংসদ নির্বাচনের সময় নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের বার্ষিক আয় ছিল মাত্র ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা। এর মধ্যে কৃষি থেকে আয় হতো ১ লাখ টাকা। আর ব্যবসা থেকে আয় হতো ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা। কিন্তু দশম সংসদের এমপি হওয়ার পরে পাঁচ বছরে তার আয় ৫ লাখ ৭০ হাজার থেকে হয়েছে ৪৩ লাখ ৭৫ হাজার ২০০ টাকা। এক্ষেত্রে কৃষি খাত থেকে বছরে ৫২ হাজার ৮০০ টাকা, পারিতোষিক ও ভাতাদি থেকে আয় ২৩ লাখ ৪২ হাজার ৪০০ টাকা এবং মৎস্য চাষ থেকে আয় দেখিয়েছেন ১৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা। দশম সংসদ নির্বাচনের সময় তার হাতে নগদ মাত্র ১ লাখ টাকা থাকলেও পাঁচ বছর পরে একাদশ সংসদ নির্বাচনের সময় তার হাতে নগদ টাকা ছিল ৩৫ লাখ। দশম সংসদ নির্বাচনের সময় তার কোনো ব্যবসায়িক মূলধন না থাকলেও একাদশ সংসদ নির্বাচনে ব্যবসায়িক মূলধন দেখিয়েছেন ৩৪ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৭ টাকা। এ ছাড়া বেড়েছে ব্যবসার পরিধিও। হয়েছেন পাওয়ার প্লান্টের মালিক।
দশম সংসদ নির্বাচনের সময় তার দুটি সাধারণ গাড়ি থাকলেও এখন রয়েছে ৫০ লাখ টাকার ল্যান্ড ক্রুজ, ৩৬ লাখ টাকার সেলুকার ও সাড়ে ১৬ লাখ টাকার মার্ক-২ টয়োটা গাড়ি। দশম সংসদ নির্বাচনের সময় তার ব্যাংকে জমা ছিল ৫ লাখ টাকা। স্ত্রীর নামে ছিল ১ লাখ টাকা। স্ত্রীর নামে আরও ছিল ৫০ ভরি স্বর্ণ। আর অন্যান্য খাতে তিনি ১ লাখ টাকা দেখিয়েছিলেন। তবে একাদশ সংসদ নির্বাচনের সময় তিনি স্ত্রীর নামে কোনো সম্পদ দেখাননি। এ নির্বাচনে তিনি হলফনামায় স্ত্রীর তথ্য গোপন করেছেন। অন্যদিকে এমপি হওয়ার পরে হু হু করে বেড়েছে তার স্থাবর সম্পদ। দশম সংসদ নির্বাচনের সময় তার কৃষি জমির পরিমাণ ছিল মাত্র ১৫০ ডিং। মূল্য ছিল ৫০ লাখ টাকা। অকৃষি জমি ছিল ২ ডিং ১০ লাখ টাকার। নিজের নামে ১০ লাখ টাকার ১টি দালান ছিল। আর স্ত্রীর নামে ছিল ঢাকায় ৩ কাঠার প্লট। কিন্তু একাদশ সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় তিনি স্ত্রীর কোনো সম্পদ দেখাননি। আর তার নামেও বেড়েছে সম্পদের পরিমাণ। পাঁচ বছর পরে একাদশ সংসদ নির্বাচনের সময় তার কৃষিজমির পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ১২ বিঘা। অকৃষি জমি দেখিয়েছেন ১৫ শতাংশ। আর একতলা একটি বাড়ি। এ ছাড়া হলফনামায় আইএফআইসি ব্যাংকে তিনি ১২ লাখ ৮২ হাজার ৭১১ টাকার ব্যক্তিগত ঋণ দেখিয়েছেন।

স্ত্রীর নামে সম্পদের পাহাড়, হিসাব নেই হলফনামায়: নাঈমুর রহমান দুর্জয় তার স্ত্রী ফারহানা রহমান হ্যাপির নামেও সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন। তবে সেই সম্পদের হিসাব তিনি একাদশ সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় দেখাননি। দুর্জয়ের জমি দখলের কাজ করেন তার চাচা। দুর্জয় বাহিনীর জমি দখলের বিষয়টি এখন মানিকগঞ্জজুড়ে ‘ওপেন সিক্রেট’। জেলায় কেউ জমি কেনাবেচা করতে চাইলে আগেই ‘ভাগ’ রেখে দিতে হয়। আর যারা ভাগ দেন না, তারা জমি কেনাবেচা করতে পারেন না। আর বেশি ঝামেলা করতে চাইলে সেই জমি চলে যায় দুর্জয়ের দখলে।
জানা গেছে, দুর্জয় এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর বিগত পাঁচ-ছয় বছরে শুধু দৌলতপুর এলাকাতেই শতাধিক একর খাস জমি দখল করে নিয়েছেন। উপজেলা সদরের খাল-নালা ভরাট করে তা পজেশন আকারে বিক্রি করার ঘটনাও ঘটেছে। দৌলতপুর বাজারে জেলা প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই সরকারি নালা দখল করে ভরাট হয়েছে, সেখানেই এখন গড়ে উঠেছে বড় আকারের মার্কেট। দোকানপ্রতি পাঁচ থেকে ছয় লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে ‘পজেশন’ বরাদ্দও দিয়েছেন টিপু।
অভিযোগ আছে, জমি দখলের মহড়ায় যুক্ত আছেন এমপিপত্নী ফারহানা রহমান হ্যাপি। তরা-মূলজান শিল্পাঞ্চলের অনেক জায়গাজমি হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে হ্যাপির নামেও। তার নামে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক সংলগ্ন সড়ক ও জনপথের বহু দামি জায়গা হাতিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ পাওয়া গেছে। মূলজান এলাকায় এই জমিতেই হ্যাপির নামে দুর্জয় পরিবারের শপিং মল তৈরি করার পরিকল্পনা চলছে। এ ছাড়া তরা ক্রসব্রিজ থেকে মানিকগঞ্জ সদর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত ছয় কিলোমিটার মহাসড়কের চারটি পয়েন্টে অন্তত পাঁচ একর জায়গা দখল করা হয়েছে। সেসব স্থান কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে আলাদা সীমানা করে দেওয়া আছে। এ ছাড়া কৃষি জমি থেকে মাটি কেটে বিক্রি করারও অভিযোগ আছে হ্যাপির বিরুদ্ধে। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মেগা ফিড কারখানার পেছনে অন্তত তিনটি স্পটে ফসলি জমি দখল করে মাটি বিক্রি করা হচ্ছে। সেই মাটি আনা-নেওয়ার কাজে ট্রাক চালিয়ে ক্ষতি করা হচ্ছে আশেপাশের ফসলি জমির।
মানিকগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই নাঈমুর রহমান দুর্জয় তার নির্বাচনী এলাকাকেও ব্যবসাকেন্দ্রে পরিণত করেছেন। থানা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড কমিটি গঠন, পদ প্রদান, পদ থেকে হটিয়ে দেওয়া, সবকিছুর পেছনেই বাণিজ্য করার এন্তার অভিযোগ রয়েছে। আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাকর্মীদের দল থেকে হটিয়ে দিয়েছেন। সর্বত্রই এমপির পকেট কমিটি গঠিত হয়েছে। তাদের মাধ্যমেই চলছে ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয় উপজেলার যাবতীয় কর্মকান্ড।
এলাকার যাবতীয় ঠিকাদারি, সব ধরনের নিয়োগ, বালুমহাল জবরদখল, সরকারি খাসজমি ও খাল-নালা ভরাট করে পজেশন আকারে কেনাবেচা, নদ-নদীতে অবৈধভাবে ড্রেজিংসহ বেপরোয়া মাটি বাণিজ্যের সবকিছুই এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করছেন দুর্জয়। এ ছাড়া আরিচা ও পাটুরিয়াঘাটে ঝুঁকিপূর্ণ স্পিডবোটের অবৈধ বাণিজ্যও গড়ে তুলেছেন তিনি। দলের নিজস্ব ক্যাডার ও আস্থাভাজন নেতাকর্মীদের মাধ্যমেই তার প্রতিটি ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালিত হচ্ছে। ফলে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতারা এখন এমপির ব্যবসাকেন্দ্রের ম্যানেজার, ক্যাশিয়ার, সুপারভাইজার হিসেবেই বেশি পরিচিত হয়ে উঠেছেন। দলীয় কর্মকাণ্ডে তৎপরতা না থাকলেও ব্যবসায়িক কাজের ছোটাছুটিতে ঘাম ঝরে তাদের। দুর্জয়ের এসব কর্মকাণ্ড নিয়ে অনেক দিন ধরেই দলের ভেতরে-বাইরে নানা বিতর্ক, নানা সমালোচনা চলছে। সৃষ্টি হয়েছে চরম অসন্তোষের। কিন্তু কোনো কিছুতে বিন্দুমাত্র ভ্রুক্ষেপ নেই তার। চাকরির আয়ে জীবন চালানো দুর্জয় হঠাৎ কীভাবে পাওয়ার প্ল্যান্টের মালিক হলেন? কোথায় পেলেন এত টাকা?
তিন উপজেলার সব ধরনের ঠিকাদারি তার নিয়ন্ত্রিত দল-উপদলের নেতাদের খুশি না করে ঠিকাদারি করার দুঃসাহস রাখেন না কেউ। হাটবাজার ইজারা নেওয়া, খেয়াঘাট বরাদ্দ পাওয়া, খাসজমি ইজারা দেওয়া থেকে শুরু করে ব্রিক ফিল্ডে মাটি সাপ্লাই দেওয়ার ক্ষেত্রেও নির্ধারিত চাঁদা পরিশোধ করেই পা ফেলতে হয়। মাটি খননের নিষিদ্ধ এক্সকেভেটর ভেকু মেশিন চলে শতাধিক। হাজার হাজার একর ফসলি জমি ধ্বংস করে রাত-দিন মাটি সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে। হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ড্রেজিং চলছে অবিরাম। স্পিডবোট চলছে কাজীরহাট রুটে চরম ঝুঁকি নিয়ে। এসব ক্ষেত্রে কেবল এমপির নির্দেশনাকে পুঁজি করেই সবকিছু পরিচালিত হচ্ছে, আইনকানুনের তোয়াক্কা করা হচ্ছে না।
সংসদীয় এলাকার তিন উপজেলায় টিআর, কাবিখা ও সোলার প্যানেল বরাদ্দে অনিয়ম-দুর্নীতির শেষ নেই। চলমান করোনা দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের বরাদ্দ ত্রাণ ও নগদ টাকা বিতরণ নিয়েও রয়েছে অন্তহীন অভিযোগ। এলাকায় আছেন এমপির তিন ‘খলিফা’, যারা প্রতিটি বরাদ্দ থেকে পার্সেন্টেজ আদায় করেন। তারা টাকা ছাড়া কোনো কাজ করেন না। নিয়োগ-বাণিজ্য ও উন্নয়ন প্রকল্পের নামে লাখ লাখ টাকা তিন খলিফার হাত ঘুরে চলে যাচ্ছে এমপি পরিবারে।
এলাকার প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতারা বলেন, সাংসদ নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের পরিবারের সদস্যরাই গিলে খাচ্ছেন সবকিছু। এমপির চাচা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তায়েবুর রহমান টিপু, চাচাতো ভাই জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহবুবুর রহমান জনি ও ছাত্রলীগ নেতা আব্বাসসহ কয়েকজনের হাতেই বন্দি এই নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন, দখলবাজি, খবরদারিত্ব। তাদের দাপুটে প্রভাব ও স্বেচ্ছাচারিতার কাছে পুরনো আওয়ামী লীগ নেতারা কোণঠাসা হয়ে আছেন। টুঁ শব্দটি পর্যন্ত করতে পারেন না কেউ।
দীর্ঘ সময়ের পোড় খাওয়া জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কয়েক বছর আগেও মানিকগঞ্জ-১ আসনভুক্ত ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয় উপজেলায় শক্ত দলীয় অবস্থান ছিল। নেতাকর্মীদের মধ্যে চমৎকার বোঝাপড়াও ছিল। তখন পর্যন্ত ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেতাদের মধ্যে অপরাধের ছায়া ছিল না। অথচ সেই নেতাকর্মীদের নামে এখন চাঁদাবাজি, দখলবাজি, বখরাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দেদার অভিযোগ উঠছে।
দুর্জয়ের ক্যাডারদের ভয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ত্যাগী আওয়ামী লীগ নেতারা বলেন, দলের প্রবীণ ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের সরিয়ে দিয়ে বিএনপি-জামায়াত নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ সব পদে বসানো হয়েছে। তারাই এখন চাঁদাবাজি, দখলবাজি, লুটপাট, সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে তার সব দায় আওয়ামী পরিবারের বর্তমান প্রজন্মের ওপর চাপাচ্ছে। অনুপ্রবেশকারীরাই আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের একের পর এক মামলা, হামলা, হয়রানি-নির্যাতনের মাধ্যমে এলাকাছাড়া করে রাখছে। অরাজনৈতিক জনপ্রতিনিধি, উড়ে এসে জুড়ে বসে দলের কাণ্ডারি সেজে ভিআইপিরা আওয়ামী লীগের অস্তিত্ব নিশ্চিহ্ন করার পাঁয়তারায় লিপ্ত।
দুর্জয়ের গলার কাঁটা ‘পাপিয়াকান্ড’: দুর্জয় এমপির নামের সঙ্গে ‘পাপিয়াকান্ড’ জড়িয়ে থাকার বিষয়টি তার জন্য এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নানাভাবে চেষ্টা করেও এমপি ও তার ঘনিষ্ঠরা দুর্জয়ের নাম থেকে পাপিয়াকে হটিয়ে দিতে পারছেন না; বরং যৌথ নামটি রীতিমতো স্থায়িত্ব পেতে বসেছে। পাপিয়াকাণ্ডের কয়েক মাস অতিবাহিত হয়েছে। এর মধ্যেই শুরু হয়েছে করোনার মহাদুর্যোগ। তারপরও মানিকগঞ্জবাসীর মুখে মুখে ছড়িয়ে আছে দুর্জয়-পাপিয়ার নানা মুখরোচক কাহিনী। তবে এমপি দুর্জয়ের সঙ্গে পাপিয়ার নাম যুক্ত করে কেউ কিছু মন্তব্য করলেই তার আর রেহাই নেই। ফেসবুকে উভয়ের ছবি পোস্ট করলেই তার বিরুদ্ধে মামলা রুজু ও জেলহাজতে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবুও পাপিয়াকাণ্ডের প্রচারণা থেকে কোনোভাবেই রেহাই পাচ্ছেন না দুর্জয়।
সুত্র : পূর্বপশ্চিম

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button