পটুয়াখালীতে দেশের প্রথম ভাসমান কোয়ারেন্টাইন সেন্টার উদ্বোধন

পটুয়াখালী নদীবন্দরে দেশের প্রথম একটি বিলাসবহুল দোতলা লঞ্চে ভাসমান কোয়ারেন্টাইন সেন্টার উদ্বোধন করা হয়েছে। ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জ থেকে নৌপথে পটুয়াখালী জেলায় আগত ব্যক্তিদের ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে রাখার জন্য পটুয়াখালী লঞ্চঘাটে এ আর খান লঞ্চকে ভাসমান কোয়ারেন্টাইন ইউনিট করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকালে ‘এ আর খান-১’ লঞ্চকে প্রাতিষ্ঠানিক ভাসমান কোয়ারেইন্টাইন ইউনিট হিসেবে উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো: মতিউল ইসলাম চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক হেমায়েত উদ্দিন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার লতিফা জান্নাতি, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল মুনয়েম সাদ, পটুয়াখালী নদীবন্দর কর্মকর্তা খাজা সাদিকুর রহমানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
জেলা প্রশাসক জানান, নদীবহুল পটুয়াখালী জেলার জনসাধারণকে করোনার প্রভাব থেকে নিরাপদ রাখতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নৌপথে আগত যাত্রীদের কোয়ারেইন্টাইন যথাযথভাবে নিশ্চিতের লক্ষ্যে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ভাসমান এ ইউনিটে ৪০টি ডাবল এবং ৩৮টি সিংগেল কেবিন রয়েছে। কোয়ারেইন্টাইনে থাকা ব্যক্তিদের দেখভাল করার জন্য রয়েছে ডাক্তার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
তিনি আরো জানান, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে যেসব ব্যক্তি এই জেলায় প্রবেশ করবে, তাদেরকে ও তাদের পরিবারকে নিরাপদ রাখতে তথা পটুয়াখালী জেলার মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে এই লঞ্চে তাদের ১৪ দিন বাধ্যতামূলক অবস্থান করতে হবে। এই সময়ে বিআইডব্লিউটিএ, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ এবং পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে।
ভাসমান এই কোয়ারেন্টাইন ইউনিটে কর্মরত ব্যক্তিদের সুরক্ষার জন্য জেলা প্রশাসক আজ তাদের মাঝে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেন।
করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে এ ভাসমান কোয়ারেন্টাইন ইউনিট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে উপস্থিত সকলে অভিমত ব্যক্ত করেন।
নয়া দিগন্ত




