দূর্ঘটনাশিরোনাম

ইটের কারণে সিগন্যাল লাইটটি দেখতে পাননি চালক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা অভিমুখী আন্তঃনগর মহানগর তূর্ণা নিশিথা ও আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেসের মধ্যে সংঘর্ষে এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ জনে।
তূর্ণা নিশীথা এক্সপ্রেসের গার্ড আবদুর রহমান বলেছেন, স্টেশনে ঢোকার সময় একটি বাঁক আছে। ওই বাঁকের মাথায় ইট থাকার কারণে আমরা সিগন্যাল লাইটটি দেখতে পাইনি। বাঁক পার হওয়ার পর সিগন্যালটি চোখে পড়লে চালক ইমারজেন্সি ব্রেক করেন। কিন্তু এরপরও ২০ সেকেন্ডের মধ্যে তূর্ণা নিশীথা উদয়নের সঙ্গে ধাক্কা লাগে।
মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।
উদয়নের চালক (লোক মাস্টার) সানাউল টিপু জানান, আমরা রাইট ট্র্যাকেই ছিলাম। কিন্তু তূর্ণা নিশীথা সিগন্যাল না মানায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমরা আগেই স্টেশনে পৌঁছে গিয়েছিলাম। একই কথা জানান সহকারী চালক (লোক মাস্টার) আব্দুল কাইয়ুম। তিনি বলেন, আমরা তো আগেই স্টেশনে ঢুকে গিয়েছিলাম। কিন্তু তূর্ণা নিশীথা সিগন্যাল অমান্য করে স্টেশনে ঢুকে উদয়নকে ধাক্কা দেয়। এতে আমাদের চারটা বগি দুমড়ে মুচড়ে গেছে। আমাদের ১০, ১১, ১২, ১৩ একেবারে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১১ নম্বর বগি।
উল্লেখ্য সোমবার রাত ৩টার দিকে কসবা উপজেলার মন্দবাগে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী তূর্ণা নিশীথা ও সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেন দুটির মধ্যে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। এ দুর্ঘটনার কারণ তদন্তে এখন পর্যন্ত পাঁচটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button