
ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ভারত অধিকৃত কাশ্মীর উপত্যকা। শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিনভর ওই অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় স্বাধীনতাকামীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে ভারতীয় সেনা বাহিনী। এতে তিনজন কাশ্মীরী ও একজন ভারতীয় সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। এছাড়া গুরুতর আহত হয়েছেন পুলিশের দুই কর্মী।
কাশ্মীর নিয়ে শুক্রবার জাতিসংঘে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দেওয়া ভাষণের পরই উত্তপ্ত ওয়ে উঠে উপত্যকার পরিস্থিতি। কাশ্মীরের মানবিক সংকট ও সেখানকার নাগরিকদের অবরুদ্ধ জীবনযাপনের বিষয়টি তুলে ধরে ইমরানের বক্তৃতাকে স্বাগত জানিয়ে মিছিল করেছে স্থানীয় জনগণ। ওইদিন রাতেই কাশ্মীরের স্বাধীনতার ডাক দিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে আসেন শত শত কাশ্মীরি। এসময় তারা ইমরান খানের পক্ষে শ্লোগান দেয়। এরপর শনিবার চলাচলের ওপর ফের বিধিনিষেধ আরোপ করে স্থানীয় প্রশাসন।
পুলিশ কর্মকর্তা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, শনিবার শ্রীনগরের বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ ভ্যান থেকে স্পিকারের মাধ্যমে জনসাধারণের চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ সংক্রান্ত বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে। বিক্ষোভ প্রতিরোধে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা হয়। এছাড়া শ্রীনগরের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্রে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে রাখা হয়েছে।
শনিবার সকালে জম্মু কাশ্মীরে দুইটি এনকাউন্টার এবং একটি গ্রেনেড হামলার খবর পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।
নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রের দাবি, পাঁচ বিদ্রোহী একটি বাড়িতে ঢুকে সেটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ফেলে। বাড়িতে প্রবেশের আগে তারা নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। তবে শেষ পর্যন্ত বাড়িটি বিদ্রোহীদের কাছ থেকে মুক্ত করতে সক্ষম হয় ভারতীয় বাহিনী।




